হিজরি মাসগুলোর মধ্যে মাহে রমজান সর্বশ্রেষ্ঠ ও বরকতময় মাস। আল্লাহ তাআলা এ মাসকে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছেন এবং এতে এমন একটি রাত রেখেছেন, যা হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। তাই রমজানের আগে মানসিক ও আমলগত প্রস্তুতি গ্রহণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
রাসুলুল্লাহ (সা.) রমজানের আগমনের আগে থেকেই প্রস্তুতি নিতেন। তিনি রজব মাস থেকেই দোয়া করতেন, যেন আল্লাহ তাকে রমজান পর্যন্ত পৌঁছার তাওফিক দেন। শাবান মাসের দিন-তারিখ গুরুত্বসহকারে হিসাব রাখতেন এবং এ মাসে বেশি বেশি নফল রোজা পালন করতেন। তবে পুরো মাস রোজা রাখতেন না, কিছু দিন বিরত থাকতেন।
তিনি সাহাবিদের রমজানের ফজিলত, বিধান ও করণীয় সম্পর্কে শিক্ষা দিতেন এবং এ মাসের রহমত ও নাজাতের সুসংবাদ শুনিয়ে উৎসাহিত করতেন। রাসুল (সা.) জানিয়েছেন, রমজানে জান্নাতের দরজা খুলে দেওয়া হয়, জাহান্নামের দরজা বন্ধ করা হয় এবং রোজাদারদের জন্য জান্নাতে বিশেষ সম্মান রয়েছে।
রমজানের আগমনে তিনি আনন্দ প্রকাশ করতেন এবং এটিকে আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ হিসেবে গ্রহণ করতে বলতেন।
এ থেকে শিক্ষা পাওয়া যায়, রমজানের যথাযথ প্রস্তুতি গ্রহণ, বেশি বেশি ইবাদত করা এবং সুন্নাহ অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য কাম্য। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে রমজানের পূর্ণ প্রস্তুতি গ্রহণ ও সঠিকভাবে রোজা পালনের তাওফিক দান করুন। আমিন।