রাজধানীর আদাবরে সকালে এক বিকাশ এজেন্টকে কুপিয়ে সাড়ে তিন লাখ টাকা লুটের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এক নাটকীয় রুদ্ধশ্বাস অভিযানের ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্তদের ধরতে বিকেলে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ছিনতাইকারীরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে চড়াও হলে আদাবর থানার ওসি ও এক এসআই গুরুতর আহত হন। পরে পুলিশের পাল্টা গুলিতে ‘কবজি কাটা’ নামক কুখ্যাত কিশোর গ্যাং চক্রের দুই শীর্ষ সদস্য গুলিবিদ্ধসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আদাবরের শেখেরটেক ৭ নম্বর সড়কের মাথায় শফিকুল ইসলাম নামের এক বিকাশ এজেন্ট দোকান খোলার পরপরই ৪-৫ জনের একদল সশস্ত্র তরুণ চাপাতি উঁচিয়ে দোকানে ঢুকে পড়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আদাবরের শেখেরটেক ৭ নম্বর সড়কের মাথায় শফিকুল ইসলাম নামের এক বিকাশ এজেন্ট দোকান খোলার পরপরই ৪-৫ জনের একদল সশস্ত্র তরুণ চাপাতি উঁচিয়ে দোকানে ঢুকে পড়ে।
ক্যাশ বাক্স থেকে টাকা নিতে বাধা দেওয়ায় দুর্বৃত্তরা শফিকুলের মাথা ও হাতসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে সাড়ে তিন লাখ টাকা ও মোবাইল ফোন লুটে পালিয়ে যায়। রক্তাক্ত শফিকুলকে উদ্ধার করে দ্রুত পঙ্গু হাসপাতালে (নিটোর) ভর্তি করা হয়। স্থানীয়দের দাবি, এই হামলার নেপথ্যে রয়েছে এলাকার ত্রাস হিসেবে পরিচিত কিশোর গ্যাং ‘কবজি কাটা গ্রুপ’।
সকালের এই দুর্ধর্ষ ছিনতাইয়ের পর সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অপরাধীদের শনাক্ত করে চিরুনি অভিযানে নামে পুলিশ। বিকেল ৪টার দিকে আদাবর থানার ওসি মো. জাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল বেড়িবাঁধ সংলগ্ন ডেল্টা গার্মেন্টসের পেছনে ছিনতাইকারীদের আস্তানায় হানা দেয়।
সকালের এই দুর্ধর্ষ ছিনতাইয়ের পর সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অপরাধীদের শনাক্ত করে চিরুনি অভিযানে নামে পুলিশ। বিকেল ৪টার দিকে আদাবর থানার ওসি মো. জাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল বেড়িবাঁধ সংলগ্ন ডেল্টা গার্মেন্টসের পেছনে ছিনতাইকারীদের আস্তানায় হানা দেয়।
এ সময় অপরাধীরা আত্মসমর্পণ না করে উল্টো ধারালো অস্ত্র ও চাপাতি নিয়ে পুলিশের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাদের আকস্মিক হামলায় গুরুতর জখম হন আদাবর থানার ওসি মো. জাহিদুল ইসলাম এবং এসআই তরুণ।
এমন প্রাণঘাতী পরিস্থিতিতে পুলিশ আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছুড়লে ‘চোরা রুবেল’ ও ‘কানা আমির’ নামে পরিচিত দুই শীর্ষ অপরাধী গুলিবিদ্ধ হয়ে লুটিয়ে পড়ে। ঘটনাস্থল থেকে তাদের দুই সহযোগী কাশেম ও মো. জয়সহ চারজনকে আটক করে পুলিশ।
এমন প্রাণঘাতী পরিস্থিতিতে পুলিশ আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছুড়লে ‘চোরা রুবেল’ ও ‘কানা আমির’ নামে পরিচিত দুই শীর্ষ অপরাধী গুলিবিদ্ধ হয়ে লুটিয়ে পড়ে। ঘটনাস্থল থেকে তাদের দুই সহযোগী কাশেম ও মো. জয়সহ চারজনকে আটক করে পুলিশ।
ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আত্মরক্ষার্থেই পুলিশ গুলি চালাতে বাধ্য হয়েছে এবং আটককৃতদের বিরুদ্ধে আগে থেকেই ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের একাধিক অভিযোগ রয়েছে।