Chief TV - Leading online news portal of Bangladesh.

Home Ad
collapse
Home / খুলনা বিভাগ / সারাদেশ / বাগেরহাট / বাগেরহাটে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে কৃষক দল নেতা নিহত - Chief TV

বাগেরহাটে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে কৃষক দল নেতা নিহত - Chief TV

2026-06-11  ডেস্ক রিপোর্ট  19 views
বাগেরহাটে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে কৃষক দল নেতা নিহত - Chief TV
বাগেরহাটের ফকিরহাটে একদল অজ্ঞাত দুর্বৃত্তের অতর্কিত হামলায় আনিসুর রহমান বাদল (৪০) নামে এক কৃষক দল নেতা নিহত হয়েছেন। গত মঙ্গলবার (৯ জুন) রাত ১০টার দিকে উপজেলার মূলঘর ইউনিয়নের নিয়তির মাঠ এলাকায় এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
 
নিহত বাদল মোড়ল বাগেরহাট সদর উপজেলার বারুইপাড়া ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি এবং সদর ইউনিয়নের আড়পাড়া গ্রামের মৃত জাফর মোড়লের ছেলে। এই হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন বারুইপাড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ মোড়ল।
 
পুলিশ বুধবার (১০ জুন) সকালে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে। তবে হত্যাকাণ্ডের দীর্ঘ সময় পার হলেও থানায় এখনও কোনো লিখিত মামলা দায়ের করা হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে আনিসুর রহমান বাদল মোড়ল ও আব্দুল্লাহ মোড়ল একটি ভ্যানযোগে বাগেরহাট সদর উপজেলা থেকে ফকিরহাটের দিকে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে মূলঘর ইউনিয়নের সোনাখালী গ্রামের নিয়তির মাঠ এলাকায় পৌঁছালে ৭ থেকে ৮ জনের একটি সশস্ত্র দুর্বৃত্ত দল ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।
 
হামলাকারীদের এলোপাথাড়ি কোপ ও ছুরিকাঘাতে ঘটনাস্থলেই বাদল মোড়লের মৃত্যু হয়। পরে স্থানীয়রা গুরুতর জখম অবস্থায় আব্দুল্লাহ মোড়লকে উদ্ধার করে ফকিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হওয়ায় রাতেই তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বিএনপি, কৃষক দল ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা তৈরি হয়। ঘটনার প্রতিবাদে বারইপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির পক্ষ থেকে কালো ব্যাজ ধারণ এবং এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করা হয়েছে।
 
বুধবার বাদ আসর স্থানীয় আড়পাড়া স্কুল মাঠে নিহতের জানাজা সম্পন্ন হয়। জেলা বিএনপির নেতা খান মনিরুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে বারুইপাড়া ইউনিয়নে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে একটি বড় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল, যেখানে বিএনপির ১১ জন নেতাকর্মী গুরুতর জখম হন।
 
এই হত্যাকাণ্ড সেই রেষারেষি বা পূর্বপরিকল্পনার অংশ কি না, তা খতিয়ে দেখতে প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানান তিনি। ফকিরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ সাইফুল ইসলাম জানান, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম অভিযানে নেমেছে।

Share: