মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এমআইএসটি) গ্র্যাজুয়েশন নাইট ২০২৬-এ শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনকে শূন্যে ভাসিয়ে এক অনন্য উচ্ছ্বাসে মেতে উঠতে দেখা গেছে সদ্য গ্র্যাজুয়েটদের।
গত বুধবার (১০ জুন) রাতে আয়োজিত এই জমকালো অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত শিক্ষামন্ত্রীকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের এই বাঁধভাঙা উল্লাসের চিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে। মন্ত্রীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, সমাবর্তন ও শিক্ষা জীবন সম্পন্ন করার বিশেষ অর্জনের আনন্দে মেতে উঠেছেন গ্র্যাজুয়েটরা।
উল্লাসের একপর্যায়ে তারা প্রিয় শিক্ষামন্ত্রীকে নিজেদের কাঁধে তুলে নেন এবং শূন্যে ছুড়ে আনন্দ প্রকাশ করতে থাকেন। এ সময় মন্ত্রীকেও অত্যন্ত হাস্যোজ্জ্বল, সাবলীল ও আনন্দিত ভঙ্গিতে শিক্ষার্থীদের সাথে এই বিশেষ মুহূর্তটি উপভোগ করতে দেখা যায়। নেটিজেনরা ভিডিওটি লুফে নিয়েছেন এবং মন্তব্যের ঘরে অনেকেই মন্ত্রীর প্রতি ভালোবাসা ও শুভকামনা প্রকাশ করছেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন দেশের শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, বর্তমান সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় কোনো ধরনের আমলাতান্ত্রিক জটিলতাকে প্রশ্রয় দিচ্ছে না।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন দেশের শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, বর্তমান সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় কোনো ধরনের আমলাতান্ত্রিক জটিলতাকে প্রশ্রয় দিচ্ছে না।
সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দেখানো পথ এবং ধারাবাহিকতায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও দেশের শিক্ষার সার্বিক উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। সবাইকে সাথে নিয়ে একটি বৈষম্যহীন, আধুনিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার নিরলস চেষ্টা চলছে উল্লেখ করে তিনি শিক্ষার্থীদের দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান।
একই সাথে জুলাই বিপ্লবের শহীদদের মহান আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, তরুণদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত নতুন এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে আমাদের একটি স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।