গতকাল দুপুরের পর উপজেলার কাঁচকোল এলাকায় বাঁধের প্রায় ৬০ মিটার অংশে তীর সংরক্ষণে ব্যবহৃত কংক্রিট ব্লক ও মাটি একসঙ্গে ধসে পড়তে শুরু করে। ব্রহ্মপুত্রের পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে বাঁধের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।
এর আগে ১ জুলাই একই স্থানে প্রায় ৩০ মিটার অংশে ধস দেখা দিলে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) বালুভর্তি জিওব্যাগ ফেলে জরুরি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল। তবে দুই সপ্তাহের মধ্যেই আরও বড় পরিসরে ধস দেখা দেওয়ায় বাঁধটির স্থায়িত্ব নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
পাউবোর মতে, ২০১৬ সালে নির্মিত এই তীর রক্ষা বাঁধের ওই অংশে নকশাগত ও কাঠামোগত দুর্বলতা রয়েছে। পাশাপাশি ব্রহ্মপুত্র নদের সম্ভাব্য চ্যানেল পরিবর্তনের কারণেও ধসের ঝুঁকি বেড়েছে। নতুন নকশায় স্থায়ী প্রতিরক্ষা কাজের জন্য ইতোমধ্যে একটি প্রকল্প পাঠানো হয়েছে বলেও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এদিকে স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে চলমান বন্যা মৌসুমে চিলমারী উপজেলা শহরসহ হাজারো পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়তে পারে। পাশাপাশি শত শত হেক্টর আবাদি জমি জলাবদ্ধতার শিকার হয়ে আমনসহ স্থানীয় কৃষিতে বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান, ধসের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই জরুরি প্রতিরোধমূলক কাজ শুরু হয়েছে। বালুভর্তি জিওব্যাগ ফেলে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ রক্ষার চেষ্টা চলছে এবং ধস পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত কাজ অব্যাহত থাকবে।