মানিকগঞ্জের ঘিওরে নিজের নতুন স্বামীকে বেঁধে রেখে এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের লোমহর্ষক ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় রোববার ভুক্তভোগী গৃহবধূ নিজেই বাদী হয়ে ঘিওর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার দৌলতপুর উপজেলার বাসিন্দা ওই নারী তার আগের স্বামী প্রবাসে থাকার সুযোগে স্থানীয় এক ইটভাটা শ্রমিকের প্রেমে পড়েন।
এর জের ধরে দুই মাস আগে নিজের দুই সন্তানকে মায়ের বাড়িতে রেখে তিনি ওই শ্রমিকের সাথে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেন। বিয়ের দুই মাস পর গত শনিবার তারা মায়ের বাড়িতে ফিরে এলে পরিবার ও স্থানীয় লোকজন তাদের এই বিয়ে মেনে না নিয়ে উল্টো বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়। বাড়ি থেকে বিতাড়িত হয়ে ওই দম্পতি নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে রওনা হয়ে রাতে ঘিওরের বাসুদেববাড়ী এলাকায় পৌঁছালে বেশ কয়েকজন দুর্বৃত্ত তাদের গতিরোধ করে।
দুর্বৃত্তরা ওই নারীর নতুন স্বামীকে জোরপূর্বক বেঁধে রেখে গৃহবধূকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনার পরদিন সকালে দায়ের করা এই মামলায় একজনকে প্রধান আসামি এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৬-৭ জনকে সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘিওর থানার ওসি মীর মাহবুবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা রুজু করা হয়েছে এবং ভুক্তভোগীকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে আসামিদের নাম প্রকাশ না করলেও জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের জোরদার অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।