ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সাম্প্রতিক চুক্তি ঘোষণার পর এটিকে ইসরাইলের ভেতরে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক পরাজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রখ্যাত ইসরাইলি রাজনৈতিক বিশ্লেষক গিদন লেভি।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইরানকে প্রতিহত করা ছিল নেতানিয়াহুর জীবনের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক লক্ষ্য বা ‘লাইফ প্রজেক্ট’। কিন্তু বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই আলোচনা ও চুক্তি থেকে ইসরাইল সম্পূর্ণরূপে বাদ পড়েছে।
এখন চুক্তির গতিপথ ঠেকাতে ইসরাইলের সামনে কেবল নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড চালানোর পথই খোলা রয়েছে। বৈরুতে ইসরাইলের সাম্প্রতিক হামলাগুলোকে ‘হাস্যকর ও শিশুসুলভ আক্রমণ’ আখ্যা দিয়ে লেভি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, আন্তর্জাতিক এই খেলায় ইসরাইল কেবলই হেরেছে।
লেভি আরও উল্লেখ করেন, ইসরাইলকে নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষেত্রে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিশ্রুতি কতটা কার্যকর হবে, তা দেখার বিষয় এখনো বাকি আছে। কারণ, ইসরাইলের মূল অগ্রাধিকারগুলো পূরণ না হলে নেতানিয়াহু যেকোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তি নস্যাৎ করতে সদা তৎপর থাকবেন।
লেভি আরও উল্লেখ করেন, ইসরাইলকে নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষেত্রে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিশ্রুতি কতটা কার্যকর হবে, তা দেখার বিষয় এখনো বাকি আছে। কারণ, ইসরাইলের মূল অগ্রাধিকারগুলো পূরণ না হলে নেতানিয়াহু যেকোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তি নস্যাৎ করতে সদা তৎপর থাকবেন।
লেবানন ও ইরান চুক্তির পারস্পরিক সম্পর্কের ওপর জোর দিয়ে এই বিশ্লেষক পরিস্থিতিকে অত্যন্ত ভঙ্গুর বলে অভিহিত করেছেন। তিনি ব্যাখ্যা করেন, ইরানিরা লেবানন পরিস্থিতির সাথে এই চুক্তির একটি সরাসরি সংযোগ তৈরি করতে সফল হয়েছে।
কিন্তু ইসরাইলি সেনারা এখনো লেবাননে অবস্থান করছে এবং সেখান থেকে সেনা প্রত্যাহারের কোনো ইচ্ছাও তাদের নেই। আর যতদিন সেখানে ইসরাইলি দখলদারিত্ব থাকবে, ততদিন কোনো ‘পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি’ সম্ভব নয়; কারণ ইসরাইলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সেখানে সবসময়ই প্রতিরোধ গড়ে উঠবে।