আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর মাত্র ৯ দিন বাকি। সময় যত ঘনিয়ে আসছে, ততই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে জয়পুরহাট–১ (সদর ও পাঁচবিবি) আসনের নির্বাচনী মাঠ। ভোটারদের মন জয় করতে জোরালো প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন স্বতন্ত্র নারী প্রার্থী সাবিকুন্নাহার শিখা।
প্রতিদিন ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত সদর ও পাঁচবিবির বিভিন্ন গ্রাম, পাড়া-মহল্লা ও হাটবাজারে গণসংযোগ করছেন তিনি। সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তাদের সুখ-দুঃখ শুনছেন এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরছেন।
সাবিকুন্নাহার শিখা বলেন, “আমি রাজনীতি করি মানুষের জন্য। জয়পুরহাট–১ আসনের সাধারণ মানুষ দীর্ঘদিন ধরে যে অবহেলা ও বৈষম্যের শিকার হয়েছে, নির্বাচিত হলে তা দূর করতে আন্তরিকভাবে কাজ করব।”
তিনি আরও বলেন, “আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে চাই—আমার ব্যানার রাতের অন্ধকারে ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে এবং খুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। কে বা কারা এসব করছে জানি না, তবে বিষয়টি দুঃখজনক।”
শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “আমরা সবাই মিলে যেন একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করি, যাতে জনগণ যাকে চাইবে তাকেই বিজয়ী করতে পারে।”
তার প্রচারণায় স্থানীয় তরুণ সমাজ, নারী ভোটার ও সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে। বিভিন্ন এলাকায় উঠান বৈঠক, পথসভা ও সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভার মাধ্যমে ভোটারদের কাছে নিজের অবস্থান তুলে ধরছেন তিনি।
স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শেষ মুহূর্তে স্বতন্ত্র নারী প্রার্থী হিসেবে সাবিকুন্নাহার শিখার মাঠপর্যায়ের সক্রিয় উপস্থিতি নির্বাচনী মাঠে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। অনেক ভোটার তার সরল বক্তব্য, সাহসী অবস্থান এবং সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছানোর উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।
নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, জয়পুরহাট–১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাও ততই জমে উঠছে। শেষ পর্যন্ত ভোটের ফলাফল কোন দিকে যায়—সেদিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছে এলাকাবাসী।