রাজবাড়ীর কালুখালীতে নিখোঁজের এক দিন পর আসাদুল মন্ডল (২৪) নামে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এক অগ্রসর কর্মীর আগুনে পোড়ানো ও ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার সকাল ৯টার দিকে উপজেলার সূর্যদিয়া গ্রামের চন্দনা নদীর পাড়ের একটি ফসলি জমি থেকে তাঁর মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত আসাদুল কালুখালী উপজেলার মানুষমারি গ্রামের শাজাহান মন্ডলের ছেলে এবং স্থানীয় মীর মশাররফ হোসেন কলেজের ডিগ্রী ফাইনাল বর্ষের ছাত্র ছিলেন।
দলীয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাত ৮টার দিকে আসাদুল বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেননি। এরপর থেকেই তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায় এবং পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর কোনো সন্ধান পাননি।
দলীয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাত ৮টার দিকে আসাদুল বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেননি। এরপর থেকেই তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায় এবং পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর কোনো সন্ধান পাননি।
সোমবার সকাল ৮টার দিকে সূর্যদিয়া গ্রামে চন্দনা নদীর পাড়ে মোতালেব হোসেন ও উজ্জ্বল হোসেন নামে দুই কৃষক জমিতে কাজ করতে গিয়ে লাশটি দেখতে পান। পরে তাদের দেওয়া খবরের ভিত্তিতে কালুখালী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
মদাপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি আবু তালহা ও ইউনিয়ন আমির মো. ফিরোজ আহম্মেদ নিহতের দলীয় পরিচয় নিশ্চিত করেছেন।
হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে এএসপি (পাংশা সার্কেল) দেবব্রত সরকার ও কালুখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তফা কামাল দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে এএসপি দেবব্রত সরকার জানান, উদ্ধারকৃত লাশের শরীরে একাধিক আঘাতের স্পষ্ট চিহ্ন রয়েছে এবং নির্মমভাবে শরীরটি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে এএসপি (পাংশা সার্কেল) দেবব্রত সরকার ও কালুখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তফা কামাল দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে এএসপি দেবব্রত সরকার জানান, উদ্ধারকৃত লাশের শরীরে একাধিক আঘাতের স্পষ্ট চিহ্ন রয়েছে এবং নির্মমভাবে শরীরটি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড উল্লেখ করে তিনি জানান, ঘটনার রহস্য উদঘাটন এবং এই নৃশংসতার সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।