পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ খাইবার পাখতুনখাওয়ায় আঘাত হানা প্রচণ্ড ঝড়, বজ্রপাত ও মুষলধারে বৃষ্টির কারণে গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত সাতজন নিহত এবং আরও ৩৩ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।
রোববার (১৪ জুন) দেশটির প্রাদেশিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (পিডিএমএ) এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এই হতাহতের তথ্য নিশ্চিত করেছে। আকস্মিক এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে প্রদেশের বেশ কিছু এলাকায় ঘরবাড়ি ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
পিডিএমএ-এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঝড় ও বজ্রপাতের কারণে সৃষ্ট পৃথক দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে দুজন শিশু, চারজন পুরুষ এবং একজন নারী রয়েছেন। প্রদেশের বান্নু, শাংলা ও মানসেহরা নামক জেলাগুলোতে মূলত এই হতাহতের ঘটনাগুলো ঘটেছে।
পিডিএমএ-এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঝড় ও বজ্রপাতের কারণে সৃষ্ট পৃথক দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে দুজন শিশু, চারজন পুরুষ এবং একজন নারী রয়েছেন। প্রদেশের বান্নু, শাংলা ও মানসেহরা নামক জেলাগুলোতে মূলত এই হতাহতের ঘটনাগুলো ঘটেছে।
তীব্র বাতাসের কারণে গাছের ডাল ও ঘরবাড়ির দেয়াল ভেঙে পড়ে এবং বজ্রপাতের আঘাতে এই মানুষগুলো প্রাণ হারান। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালগুলোতে ভর্তি করা হয়েছে, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
এদিকে, পাকিস্তান আবহাওয়া বিভাগ (পিএমডি) রোববার এক পূর্বাভাসে জানিয়েছে, খাইবার পাখতুনখোয়া, গিলগিট-বালতিস্তান এবং কাশ্মীরের বিভিন্ন পার্বত্য ও সমতল এলাকায় আগামী কয়েকদিন আরও ঝড়-বৃষ্টি এবং বজ্রপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে, পাকিস্তান আবহাওয়া বিভাগ (পিএমডি) রোববার এক পূর্বাভাসে জানিয়েছে, খাইবার পাখতুনখোয়া, গিলগিট-বালতিস্তান এবং কাশ্মীরের বিভিন্ন পার্বত্য ও সমতল এলাকায় আগামী কয়েকদিন আরও ঝড়-বৃষ্টি এবং বজ্রপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে এই অঞ্চলগুলো বাদে পাকিস্তানের বেশির ভাগ অংশে তীব্র গরম ও শুষ্ক আবহাওয়া অপরিবর্তিত থাকবে। উল্লেখ্য, এই মাসের শুরুর দিকেও খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে আঘাত হানা আরেকটি শক্তিশালী ঝড়ে অন্তত দুজন নিহত এবং ৩১ জন আহত হয়েছিলেন।