সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ঝাপারচর এলাকায় কপোতাক্ষ নদ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় একটি বাল্কহেড জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
এ সময় ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। রোববার (১৪ জুন) সকাল ৬টা ৪০ মিনিটে বিজিবির একটি বিশেষ অভিযানে এই সাফল্য আসে।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, রোববার ভোরে ঝাপারচর এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে— এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নীলডুমুর ব্যাটালিয়ন (১৭ বিজিবি)-এর একটি চৌকস টহল দল সেখানে অভিযান চালায়।
বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলেও টহল দল বালু উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত একটি বড় বাল্কহেড জব্দ এবং দুই জড়িতকে হাতেনাতে আটক করে। পরে জব্দকৃত বাল্কহেডটি বিজিবির পল্টন ঘাট এলাকায় নিয়ে আসা হয়।
ঘটনার পরপরই শ্যামনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাশেদ হোসেন এবং বুড়িগোয়ালিনী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মারুফ হোসেন সশরীরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। সার্বিক তদন্ত শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসেন সেখানে একটি তাৎক্ষণিক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
আদালত বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনে উপজেলার দরগাহপুর গ্রামের মৃত আফসার আলীর ছেলে মো. নজরুল ইসলামকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার রাড়ুলী গ্রামের জিল্লুর গাজীর ছেলে মো. আক্তারুল জামান (৩০) কে ১৪ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
ঘটনার পরপরই শ্যামনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাশেদ হোসেন এবং বুড়িগোয়ালিনী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মারুফ হোসেন সশরীরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। সার্বিক তদন্ত শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসেন সেখানে একটি তাৎক্ষণিক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
আদালত বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনে উপজেলার দরগাহপুর গ্রামের মৃত আফসার আলীর ছেলে মো. নজরুল ইসলামকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার রাড়ুলী গ্রামের জিল্লুর গাজীর ছেলে মো. আক্তারুল জামান (৩০) কে ১৪ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
একই সঙ্গে আসামিদের কাছ থেকে নগদ এক লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। সাজা ঘোষণার পর দণ্ডপ্রাপ্তদের পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া ও জেলহাজতে প্রেরণের জন্য শ্যামনগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
অভিযানের বিষয়ে নীলডুমুর ১৭ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. শাহারিয়ার রাজিব সংবাদমাধ্যমকে বলেন, দেশের ভূ-প্রকৃতি, পরিবেশ ও সরকারি সম্পদ রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে বিজিবির এই ধরনের কঠোর অভিযান ও জিরো টলারেন্স নীতি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
অভিযানের বিষয়ে নীলডুমুর ১৭ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. শাহারিয়ার রাজিব সংবাদমাধ্যমকে বলেন, দেশের ভূ-প্রকৃতি, পরিবেশ ও সরকারি সম্পদ রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে বিজিবির এই ধরনের কঠোর অভিযান ও জিরো টলারেন্স নীতি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।