Chief TV - Leading online news portal of Bangladesh.

Home Ad
collapse
হোম / রাজনীতি / কুড়িগ্রাম-৪ আসনে স্বামী-স্ত্রীর ভিন্ন দলে প্রার্থী হওয়া নিয়ে আলোচনা - Chief TV

কুড়িগ্রাম-৪ আসনে স্বামী-স্ত্রীর ভিন্ন দলে প্রার্থী হওয়া নিয়ে আলোচনা - Chief TV

2026-01-07  নুর আমিন মিয়া, চিলমারি (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি  144 views
কুড়িগ্রাম-৪ আসনে স্বামী-স্ত্রীর ভিন্ন দলে প্রার্থী হওয়া নিয়ে আলোচনা - Chief TV

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম-৪ (চিলমারী, রৌমারী ও রাজিবপুর) আসনে মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শেষে আটজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। গত ২ জানুয়ারি কুড়িগ্রাম জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ এসব মনোনয়ন অনুমোদন দেন।

বৈধ প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী কে এম ফজলুল মণ্ডল এবং তাঁর স্ত্রী বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (বিএসপি) প্রার্থী মোছা. শেফালী বেগম। স্বামী-স্ত্রীর ভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে একই আসনে প্রার্থী হওয়াকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।
কে এম ফজলুল মণ্ডল দাবি করেছেন, তাঁদের দাম্পত্য জীবনের বিচ্ছেদ হয়েছে। তবে শেফালী বেগম এ দাবির সঙ্গে একমত নন। তিনি বলেন, আইনি দৃষ্টিতে ফজলুল মণ্ডল এখনও তাঁর স্বামী। দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক মতানৈক্য থাকলেও আইনিভাবে তাঁদের বৈবাহিক সম্পর্ক বহাল রয়েছে।


এই আসনের অন্যান্য প্রার্থীরা হলেন— বিএনপির মো. আজিজুর রহমান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. মোস্তাফিজুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. হাফিজুর রহমান, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)-এর শেখ মোহাম্মদ আব্দুল খালেক, বাসদ (মার্কসবাদী)-এর রাজু আহমেদ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. রুকুনুজ্জামান।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্বামী-স্ত্রীর ভিন্ন রাজনৈতিক ব্যানারে সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা এই অঞ্চলের রাজনীতিতে বিরল ঘটনা। এতে নির্বাচনী মাঠে বাড়তি উত্তাপ সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি ব্যক্তিগত সম্পর্ক রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়েও আলোচনা চলছে।
এ বিষয়ে ভোটারদের মতামত জানতে চাইলে রাজিবপুরের আমিনুল ইসলাম ও এরশাদুল ইসলাম এবং চিলমারীর হুমায়ুন কবির ও মোসলেম উদ্দিন বলেন, তারা ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিষয়টি বিবেচনায় না এনে প্রার্থীদের যোগ্যতা, রাজনৈতিক আদর্শ ও এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখার সক্ষমতার ভিত্তিতে ভোট দেবেন।

এদিকে জাপা প্রার্থী কে এম ফজলুল মণ্ডল অভিযোগ করেন, শেফালী বেগম পূর্বে সরকারি চাকরিতে কর্মরত ছিলেন এবং চাকরি ছাড়ার নির্ধারিত সময় পূর্ণ না হতেই তাঁর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে শেফালী বেগম বলেন, তিনি স্বেচ্ছায় চার-পাঁচ বছর আগে শিক্ষকতা পেশা থেকে অবসর নিয়েছেন। তাঁর স্বামীর অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।


Share: