ভারতের মহারাষ্ট্রের ওয়াশিম জেলার মালেগাঁও তালুকের তিভলি গ্রামে একই পরিবারের চার সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয় পুলিশ। রোববার বিকেলে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে।
পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, এটি একটি পারিবারিক আত্মহত্যার ঘটনা হতে পারে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
শিরপুর থানার উপ-পরিদর্শক ইমরান পাঠান জানান, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তারা খবর পান যে তিভলি গ্রামে এক ব্যক্তি ঘরের ভেতর গলায় ফাঁস দিয়েছেন এবং তার স্ত্রী ও দুই সন্তান পাশের একটি কূপে ঝাঁপ দিয়েছেন। সংবাদ পেয়ে পুলিশের একটি বিশেষ দল দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায়।
শিরপুর থানার উপ-পরিদর্শক ইমরান পাঠান জানান, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তারা খবর পান যে তিভলি গ্রামে এক ব্যক্তি ঘরের ভেতর গলায় ফাঁস দিয়েছেন এবং তার স্ত্রী ও দুই সন্তান পাশের একটি কূপে ঝাঁপ দিয়েছেন। সংবাদ পেয়ে পুলিশের একটি বিশেষ দল দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায়।
সেখানে গিয়ে তারা দেখতে পান, পরিবারের পুরুষ সদস্যের মরদেহ ঘরের ভেতর ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে। পরবর্তীতে তল্লাশি চালিয়ে ঘরের কাছেই একটি কূপ থেকে তার স্ত্রী, ছেলে ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ইতিমধ্যেই চারটি মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য স্থানীয় হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। তদন্তকারী কর্মকর্তা ইমরান পাঠান আরও জানান, সোমবার মরদেহগুলোর ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হবে এবং ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
পুলিশ ইতিমধ্যেই চারটি মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য স্থানীয় হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। তদন্তকারী কর্মকর্তা ইমরান পাঠান আরও জানান, সোমবার মরদেহগুলোর ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হবে এবং ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
কী কারণে এই পরিবারটি এমন চরম সিদ্ধান্ত নিল, তা উদ্ঘাটন করতে পুলিশের পক্ষ থেকে তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং নিহতদের আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।