পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের উপজাতীয় অঞ্চল উত্তর ওয়াজিরিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর একটি বড় ধরনের বিশেষ অভিযানে অন্তত ২১ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। দেশটির সেনাবাহিনীর গণমাধ্যম শাখা ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনস (আইএসপিআর) এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এই অভিযানে পাকিস্তানের দাবি অনুযায়ী, ভারতীয় মদতপুষ্ট ও ভারত-সমর্থিত ‘ফিতনা আল-খারিজি’ গোষ্ঠীর আস্তানাগুলো লক্ষ্য করে এই সাঁড়াশি অভিযান চালানো হয়।
মূলত উত্তর ওয়াজিরিস্তানের মিরানশাহ এলাকা এবং এর আশপাশের দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের একাধিক সন্ত্রাসী ডেরায় একযোগে এই আক্রমণ পরিচালনা করে নিরাপত্তা বাহিনী।
আইএসপিআর তাদের বিবৃতিতে আরও জানায়, গত ৭২ ঘণ্টা ধরে চলা এই রুদ্ধশ্বাস ও প্রচণ্ড গোলাগুলির পর ২১ জন উগ্রপন্থী নিহত হয়েছে, যার মধ্যে এই গোষ্ঠীর শীর্ষ স্তরের চারজন মূল নেতাও রয়েছে।
আইএসপিআর তাদের বিবৃতিতে আরও জানায়, গত ৭২ ঘণ্টা ধরে চলা এই রুদ্ধশ্বাস ও প্রচণ্ড গোলাগুলির পর ২১ জন উগ্রপন্থী নিহত হয়েছে, যার মধ্যে এই গোষ্ঠীর শীর্ষ স্তরের চারজন মূল নেতাও রয়েছে।
উল্লেখ্য, পাকিস্তান সরকার আন্তর্জাতিকভাবে নিষিদ্ধ ঘোষিত তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সহযোগী উগ্রপন্থী সংগঠনগুলোকে বোঝাতে ‘ফিতনা-আল-খারিজি’ শব্দটি ব্যবহার করে থাকে।
সামরিক বাহিনীর দাবি, নিহত এই শীর্ষ নেতারা দীর্ঘদিন ধরে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর চোরাগোপ্তা হামলা, তল্লাশি চৌকিতে বিস্ফোরণ এবং অসংখ্য নিরীহ বেসামরিক নাগরিক হত্যাকাণ্ডের সাথে সরাসরি জড়িত ছিল।
সফল এই অভিযান শেষে নিহত সন্ত্রাসীদের গোপন আস্তানা থেকে বিপুল পরিমাণ আধুনিক ভারী অস্ত্র ও সামরিক গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।