নীলফামারীর জলঢাকায় নির্বাচনী বিলবোর্ড লাগানোকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পৌর শহরে অতিরিক্ত পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার পৌর শহরের আবু সাঈদ চত্বরে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আবু সাঈদ চত্বরে আগে থেকেই জামায়াতে ইসলামীর কয়েকটি বিলবোর্ড লাগানো ছিল। রাত আনুমানিক ৮টার দিকে বিএনপির প্রার্থীর কয়েকটি বিলবোর্ড সেখানে লাগানোর চেষ্টা করা হলে জামায়াতের কর্মীরা বাধা দেন। এতে দুপক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয় এবং একপর্যায়ে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
বিএনপি প্রার্থী সৈয়দ আলীর নির্বাচন সমন্বয়কারী ফাহমিদ ফয়সাল চৌধুরী কমেট বলেন,
“আজ আমাদের একজন কর্মী বিলবোর্ড লাগাতে গেলে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর লোকজন বাধা দেয়। আমরা কখনো বিশৃঙ্খলা চাই না। প্রশাসনের ওপর আমাদের আস্থা রয়েছে। আমাদের নেতাকর্মীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হয়েছে, তবুও আমরা সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছি।”
অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবদুল্লাহ সালাফির নির্বাচন সমন্বয়কারী উপজেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমীর কামরুজ্জামান বলেন,
“আমাদের বিলবোর্ডের ওপর বিএনপির লোকজন নতুন বিলবোর্ড লাগানোর চেষ্টা করেন। এতে আমাদের কর্মীরা বাধা দিলে তারা মারধর করে। এ ঘটনায় আমাদের তিনজন কর্মী আহত হয়েছেন।”
এ বিষয়ে জলঢাকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নামজুল আলম বলেন,
“বিলবোর্ড লাগানো নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।”