Chief TV - Leading online news portal of Bangladesh.

Home Ad
collapse
হোম / আঞ্চলিক / পরকীয়ার জেরে স্বামী হত্যার- Chief TV

পরকীয়ার জেরে স্বামী হত্যার- Chief TV

2025-10-22  ডেস্ক রিপোর্ট  154 views
পরকীয়ার জেরে স্বামী হত্যার- Chief TV

গাইবান্ধায় পরকীয়ার প্রেমের সম্পর্ক হাতেনাতে ধরা পড়ার জেরে স্বামী ইকবাল হোসেনকে (৩৫) হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্ত্রী হ্যাপি আক্তারের (৩০) বিরুদ্ধে। তবে মরদেহ দাফনের জন্য গ্রামের বাড়িতে নেওয়ার পরই ফাঁস হয় এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা।
ইকবালের সাত বছরের মেয়ে লিমা হত্যার সত্যতা পরিবারের কাছে প্রকাশ করে দেয় গোটা রহস্য।

বুধবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে সদর উপজেলার কুপতলা ইউনিয়নের স্কুলের বাজার এলাকা থেকে পুলিশ ইকবালের মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্ত্রী হ্যাপি আক্তারকে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৫ বছর আগে ইকবাল ও হ্যাপির বিয়ে হয়। তারা দুজনেই নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কাচপুর এলাকায় ‘তামান্না গার্মেন্টস’-এ চাকরি করতেন। তাদের লিমা নামে সাত বছরের এক কন্যা সন্তান রয়েছে।

স্বজনদের অভিযোগ, হ্যাপি কাচপুর এলাকার টেইলার্স কর্মী রুবেল মিয়ার সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। গত ২০ অক্টোবর রাতে ভাড়া বাসায় ঘুমন্ত স্বামী ইকবাল স্ত্রী ও তার প্রেমিককে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। এ সময় তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এরপর ঘটনার রাতেই হ্যাপি ও রুবেল মিলে ইকবালকে হত্যা করেন।

পরদিন মঙ্গলবার সকালে হ্যাপি স্বামীর মরদেহ নিয়ে গ্রামের উদ্দেশে রওনা দেন। গভীর রাতে মরদেহ গাইবান্ধার গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে মেয়ে লিমা পরিবারের কাছে পুরো ঘটনা খুলে বলে। তখন স্বজনরা মরদেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে প্রেমিক রুবেলকে সঙ্গে নিয়ে ইকবালকে হত্যা করেছে হ্যাপি। ঘটনাটি গোপন রেখে মরদেহ দাফনের জন্য বাড়িতে আনা হলেও মেয়ে লিমার কারণে সত্য ফাঁস হয়ে যায়। পরে স্বজনরা বিষয়টি পুলিশকে জানায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় এবং হ্যাপিকে আটক করে।

এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্বজন ও এলাকাবাসী অভিযুক্ত হ্যাপি ও তার প্রেমিক রুবেলের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীনুল ইসলাম তালুকদার বলেন, “মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। স্বজনদের অভিযোগের ভিত্তিতে হ্যাপিকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে হত্যার রহস্য উন্মোচন হবে।”

তিনি আরও জানান, ঘটনাটি রূপগঞ্জ থানা এলাকায় ঘটেছে। ভুক্তভোগী পরিবারকে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে হ্যাপিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তার বক্তব্য রেকর্ড করা হচ্ছে এবং তাকে রূপগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।


Share: