সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা এবং পুশইনের ঘটনার প্রতিবাদে পঞ্চগড়ে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে শহরের আদালত এলাকা থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে চৌরঙ্গী মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে এক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের আমির ইকবাল হোসাইন, নায়েবে আমির মফিজ উদ্দিন, সেক্রেটারি দেলোয়ার হোসেন, এনসিপির জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক শিশির আসাদ, জাগপার সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার আলম বিপ্লব, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির সভাপতি মাসুদ রানা এবং জেলা শিবিরের সভাপতি রাশেদ ইসলাম।
বক্তারা বলেন, সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা ও পুশইনের ঘটনা দেশের সার্বভৌমত্ব এবং মানবাধিকারের জন্য উদ্বেগজনক। এসব ঘটনা বন্ধে সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।
সমাবেশে নেতারা অভিযোগ করেন, সীমান্ত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের ভূমিকা যথেষ্ট দৃঢ় নয়। তারা অবিলম্বে সীমান্ত হত্যা ও পুশইন বন্ধে কার্যকর কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানান। অন্যথায় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সীমান্তে মানববন্ধন, গণসমাবেশ ও মানবঢাল কর্মসূচিসহ বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন।
সমাবেশে ১১ দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, সমর্থক এবং সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে শহরের আদালত এলাকা থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে চৌরঙ্গী মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে এক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের আমির ইকবাল হোসাইন, নায়েবে আমির মফিজ উদ্দিন, সেক্রেটারি দেলোয়ার হোসেন, এনসিপির জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক শিশির আসাদ, জাগপার সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার আলম বিপ্লব, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির সভাপতি মাসুদ রানা এবং জেলা শিবিরের সভাপতি রাশেদ ইসলাম।
বক্তারা বলেন, সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা ও পুশইনের ঘটনা দেশের সার্বভৌমত্ব এবং মানবাধিকারের জন্য উদ্বেগজনক। এসব ঘটনা বন্ধে সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।
সমাবেশে নেতারা অভিযোগ করেন, সীমান্ত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের ভূমিকা যথেষ্ট দৃঢ় নয়। তারা অবিলম্বে সীমান্ত হত্যা ও পুশইন বন্ধে কার্যকর কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানান। অন্যথায় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সীমান্তে মানববন্ধন, গণসমাবেশ ও মানবঢাল কর্মসূচিসহ বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন।
সমাবেশে ১১ দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, সমর্থক এবং সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন।