যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোলের সাদীপুর সীমান্ত পরিদর্শনে এসে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ভারতকে একটি খুনি রাষ্ট্র এবং বিএসএফকে খুনি বাহিনী হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি সীমান্ত হত্যা ও কথিত পুশ-ইনের ঘটনায় বর্তমান সরকারের আরও কঠোর অবস্থান নেওয়ার তাগিদ দিয়ে বলেছেন, সীমান্তে বাংলাদেশিদের হত্যার দায়ে ভারতের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করা উচিত।
তিনি স্পষ্ট করে জানান, ভারতের পক্ষ থেকে কোনো বাংলাদেশি নাগরিককে ফেরত পাঠানোর প্রয়োজন হলে তা অবশ্যই আইন ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে। রাতের আঁধারে সীমান্তে জোরপূর্বক মানুষ রেখে যাওয়ার মতো ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং বাংলাদেশের মানুষ এই পুশ-ইন মেনে নেবে না। সীমান্ত হত্যা, মাদক চোরাচালান ও অন্যান্য সীমান্ত-সংক্রান্ত ইস্যুতে অতীতে কঠোর অবস্থান নেওয়া হলে আজ এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না উল্লেখ করে তিনি সরকারকে জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
সীমান্ত পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য সম্পর্কে তিনি বলেন, সীমান্তে অবস্থান করা কয়েকটি পরিবারের খোঁজ নিতে তারা সেখানে গিয়েছিলেন, কিন্তু তাদের পৌঁছার আগেই পরিবারগুলোকে সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। সীমান্তবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যেকোনো ধরনের পুশ-ইনের চেষ্টা করা হলে স্থানীয়দের দ্রুত বিজিবি ও পুলিশকে অবহিত করতে হবে। প্রয়োজনে সীমান্ত এলাকায় সতর্ক অবস্থান নিয়ে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সবাইকে সক্রিয় ভূমিকা রাখার অনুরোধ জানান তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার থেকে সাদীপুর সীমান্তের জিরো লাইনে ১০ থেকে ১২ জন নারী, পুরুষ ও শিশু অবস্থান করছিলেন। তবে বুধবার সকাল থেকে তাদের আর সেখানে দেখা যায়নি। স্থানীয়দের ধারণা, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) তাদের সেখান থেকে সরিয়ে নিয়েছে। এই সীমান্ত পরিদর্শনের সময় এনসিপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তিনি স্পষ্ট করে জানান, ভারতের পক্ষ থেকে কোনো বাংলাদেশি নাগরিককে ফেরত পাঠানোর প্রয়োজন হলে তা অবশ্যই আইন ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে। রাতের আঁধারে সীমান্তে জোরপূর্বক মানুষ রেখে যাওয়ার মতো ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং বাংলাদেশের মানুষ এই পুশ-ইন মেনে নেবে না। সীমান্ত হত্যা, মাদক চোরাচালান ও অন্যান্য সীমান্ত-সংক্রান্ত ইস্যুতে অতীতে কঠোর অবস্থান নেওয়া হলে আজ এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না উল্লেখ করে তিনি সরকারকে জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
সীমান্ত পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য সম্পর্কে তিনি বলেন, সীমান্তে অবস্থান করা কয়েকটি পরিবারের খোঁজ নিতে তারা সেখানে গিয়েছিলেন, কিন্তু তাদের পৌঁছার আগেই পরিবারগুলোকে সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। সীমান্তবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যেকোনো ধরনের পুশ-ইনের চেষ্টা করা হলে স্থানীয়দের দ্রুত বিজিবি ও পুলিশকে অবহিত করতে হবে। প্রয়োজনে সীমান্ত এলাকায় সতর্ক অবস্থান নিয়ে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সবাইকে সক্রিয় ভূমিকা রাখার অনুরোধ জানান তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার থেকে সাদীপুর সীমান্তের জিরো লাইনে ১০ থেকে ১২ জন নারী, পুরুষ ও শিশু অবস্থান করছিলেন। তবে বুধবার সকাল থেকে তাদের আর সেখানে দেখা যায়নি। স্থানীয়দের ধারণা, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) তাদের সেখান থেকে সরিয়ে নিয়েছে। এই সীমান্ত পরিদর্শনের সময় এনসিপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।