Chief TV - Leading online news portal of Bangladesh.

Home Ad
collapse
হোম / আঞ্চলিক / শীর্ষ সন্ত্রাসী মামুন হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্রসহ ৫ জন গ্রেপ্তার- Chief TV

শীর্ষ সন্ত্রাসী মামুন হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্রসহ ৫ জন গ্রেপ্তার- Chief TV

2025-11-11  ডেস্ক রিপোর্ট  121 views
শীর্ষ সন্ত্রাসী মামুন হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্রসহ ৫ জন গ্রেপ্তার- Chief TV

রাজধানীর পুরান ঢাকায় শীর্ষ সন্ত্রাসী তারিক সাইফ মামুনকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার ঘটনায় ব্যবহৃত অস্ত্রসহ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রুবেল ও ইব্রাহিম নামে দুই শুটার রয়েছেন। পেশাদার ভাড়াটে শুটার হিসেবে কাজ করা এই দুজন মামুনকে লক্ষ্য করে গুলি চালান। ভারত পালিয়ে যাওয়ার আগে সীমান্ত এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) দিবাগত রাতে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন,
“রাজধানীর সূত্রাপুরে চাঞ্চল্যকর মামুন হত্যার ঘটনায় ব্যবহৃত দুটি পিস্তল উদ্ধার এবং দুই শুটারসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য বুধবার (১৩ নভেম্বর) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জানানো হবে।”

এর আগে সোমবার (১০ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে পুরান ঢাকার সূত্রাপুরে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ফটকের সামনে মামুনকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়। আদালতে হাজিরা শেষে ফেরার পথে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, সকাল ১০টা ৫৩ মিনিটে মামুন দৌড়ে হাসপাতালের ফটকের ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করছেন, এ সময় পেছন থেকে দুই অস্ত্রধারী তার দিকে গুলি চালায়। মুহূর্তের মধ্যে দুজন খুব কাছ থেকে একযোগে একাধিক গুলি ছোড়ে। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই হত্যা মিশন শেষ করে তারা কোমরে অস্ত্র গুঁজে গেটের বাঁ দিক দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।

পরে গুরুতর আহত অবস্থায় মামুনকে প্রথমে ন্যাশনাল মেডিক্যালে নেওয়া হয় এবং সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত মামুনের সুরতহাল প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, তার শরীরে সাতটি গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে—মাথার নিচে একটি, বাম পিঠে একটি, বুকের ডান পাশে একটি, বাম কব্জিতে একটি এবং ডান কব্জির ওপরে একটি গুলি লাগে।

পুলিশ জানায়, নিহত তারিক সাইফ মামুন রাজধানীর তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসীদের একজন। তিনি ‘ইমন-মামুন গ্রুপের’ অন্যতম প্রধান ছিলেন। একসময় তিনি কুখ্যাত সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমনের সহযোগী ছিলেন।

অপরাধ জগতের নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ইমন ও মামুনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। আলোচনায় উঠে এসেছে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী জোসেফের নামও। ১৯৯৭ সালে মোহাম্মদপুরে জোসেফের ভাই টিপু হত্যাকাণ্ডের অন্যতম আসামি ছিলেন নিহত মামুন।
সেই ক্ষোভ থেকেই জোসেফের পরিকল্পিত টার্গেট কিলিংয়ের শিকার হতে পারেন মামুন—এমন ধারণা করছে পুলিশ।


Share:

Single Page