নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় শিশুদের খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের মধ্যকার সংঘর্ষে জামাল মিয়া নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। শুক্রবার দুপুরে উপজেলার গন্ডা পূর্বপাড়া গ্রামে এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত জামাল মিয়া (৪৫) ওই গ্রামের মঈন উদ্দিনের ছেলে। ঘটনার পর এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বর্তমানে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দুপুর আনুমানিক আড়াইটার দিকে জামাল মিয়ার সন্তানের সঙ্গে প্রতিবেশী সুজন মিয়ার সন্তানদের খেলাধুলা করা নিয়ে কথাকাটাকাটি ও ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে এই সামান্য ঘটনাটি দুই পরিবারের বড়দের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে এবং দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তারা সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দুপুর আনুমানিক আড়াইটার দিকে জামাল মিয়ার সন্তানের সঙ্গে প্রতিবেশী সুজন মিয়ার সন্তানদের খেলাধুলা করা নিয়ে কথাকাটাকাটি ও ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে এই সামান্য ঘটনাটি দুই পরিবারের বড়দের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে এবং দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তারা সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
এ সময় প্রতিবেশীদের উপর্যুপরি হামলায় জামাল মিয়া গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয় লোকজন তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত পার্শ্ববর্তী ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে জামাল মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।
হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পরপরই ক্ষুব্ধ স্থানীয় জনতা অভিযুক্ত সুজন মিয়ার স্ত্রী অজু আক্তারকে ধরে ফেলে এবং পরে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী মাকসুদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, শিশুদের তুচ্ছ ঝগড়া থেকে এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পরপরই ক্ষুব্ধ স্থানীয় জনতা অভিযুক্ত সুজন মিয়ার স্ত্রী অজু আক্তারকে ধরে ফেলে এবং পরে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী মাকসুদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, শিশুদের তুচ্ছ ঝগড়া থেকে এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। নিহত জামাল মিয়ার মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন সম্পন্ন করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এই ঘটনার মূল অভিযুক্ত সুজন মিয়াসহ জড়িত অন্যান্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে এবং এ বিষয়ে একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।