শিক্ষার মানোন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং শিক্ষার্থীদের মৌলিক চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিক্ষা খাতে জিডিপির কমপক্ষে ৬ শতাংশ বরাদ্দের দাবিতে গাইবান্ধায় সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট।
সোমবার (২২ জুন ২০২৬) দুপুর ১২টায় গাইবান্ধা শহরের ১ নম্বর রেলগেট এলাকায় সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, গাইবান্ধা জেলা শাখার উদ্যোগে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা সভাপতি পরমানন্দ দাসের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা সাধারণ সম্পাদক রাহেলা সিদ্দিকা, গাইবান্ধা সরকারি কলেজ শাখার সভাপতি কলি রানী, কল্লোল কুমার বর্মন, ধনঞ্জয় কুমার ও নীহার অর্জুন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, শিক্ষাখাতে পর্যাপ্ত বরাদ্দ না থাকায় শিক্ষা ব্যয় দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বই, খাতা, কলমসহ শিক্ষা উপকরণের দাম বৃদ্ধি, বিভিন্ন ফি বৃদ্ধি এবং আর্থিক সংকটের কারণে অনেক শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে। ফলে শিক্ষা ধীরে ধীরে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।
তারা আরও বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষা খাতে জিডিপির মাত্র ২ শতাংশ বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত অপ্রতুল। সরকার শিক্ষার মৌলিক সমস্যাগুলো সমাধান না করে ‘ফ্রি ওয়াই-ফাই’ বা ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’-এর মতো প্রকল্প নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও এখনও বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ, শিক্ষক, লাইব্রেরি ও খেলার মাঠের অভাব রয়েছে। অনেক শিক্ষক মাসের পর মাস বেতন পাচ্ছেন না বলেও তারা অভিযোগ করেন।
সমাবেশে বক্তারা গাইবান্ধা জেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিভিন্ন সংকটের কথাও তুলে ধরেন। তারা বলেন, গাইবান্ধা সরকারি কলেজে পরিবহন সংকট, শ্রেণিকক্ষের অভাব, স্বতন্ত্র পরীক্ষার হলের সংকট, নিয়মিত ক্লাস না হওয়া এবং সুপেয় পানির সমস্যাসহ নানা সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যমান। এছাড়া জেলার সরকারি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোও নানা সংকটে জর্জরিত।
বক্তারা অভিযোগ করেন, সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করে রেখে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, কোচিং সেন্টার ও গাইড বইয়ের ব্যবসাকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে গাইবান্ধা জেলায় একটি পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার দাবি জানান তারা।
সমাবেশ শেষে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় অর্থমন্ত্রীর বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে শিক্ষা খাতে জিডিপির ৬ শতাংশ বরাদ্দ নিশ্চিত করে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
সোমবার (২২ জুন ২০২৬) দুপুর ১২টায় গাইবান্ধা শহরের ১ নম্বর রেলগেট এলাকায় সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, গাইবান্ধা জেলা শাখার উদ্যোগে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা সভাপতি পরমানন্দ দাসের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা সাধারণ সম্পাদক রাহেলা সিদ্দিকা, গাইবান্ধা সরকারি কলেজ শাখার সভাপতি কলি রানী, কল্লোল কুমার বর্মন, ধনঞ্জয় কুমার ও নীহার অর্জুন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, শিক্ষাখাতে পর্যাপ্ত বরাদ্দ না থাকায় শিক্ষা ব্যয় দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বই, খাতা, কলমসহ শিক্ষা উপকরণের দাম বৃদ্ধি, বিভিন্ন ফি বৃদ্ধি এবং আর্থিক সংকটের কারণে অনেক শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে। ফলে শিক্ষা ধীরে ধীরে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।
তারা আরও বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষা খাতে জিডিপির মাত্র ২ শতাংশ বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত অপ্রতুল। সরকার শিক্ষার মৌলিক সমস্যাগুলো সমাধান না করে ‘ফ্রি ওয়াই-ফাই’ বা ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’-এর মতো প্রকল্প নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও এখনও বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ, শিক্ষক, লাইব্রেরি ও খেলার মাঠের অভাব রয়েছে। অনেক শিক্ষক মাসের পর মাস বেতন পাচ্ছেন না বলেও তারা অভিযোগ করেন।
সমাবেশে বক্তারা গাইবান্ধা জেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিভিন্ন সংকটের কথাও তুলে ধরেন। তারা বলেন, গাইবান্ধা সরকারি কলেজে পরিবহন সংকট, শ্রেণিকক্ষের অভাব, স্বতন্ত্র পরীক্ষার হলের সংকট, নিয়মিত ক্লাস না হওয়া এবং সুপেয় পানির সমস্যাসহ নানা সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যমান। এছাড়া জেলার সরকারি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোও নানা সংকটে জর্জরিত।
বক্তারা অভিযোগ করেন, সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করে রেখে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, কোচিং সেন্টার ও গাইড বইয়ের ব্যবসাকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে গাইবান্ধা জেলায় একটি পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার দাবি জানান তারা।
সমাবেশ শেষে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় অর্থমন্ত্রীর বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে শিক্ষা খাতে জিডিপির ৬ শতাংশ বরাদ্দ নিশ্চিত করে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।