শ্রীলঙ্কার একটি বেসরকারি বৃদ্ধাশ্রমে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অন্তত ১২ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে এবং এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত সাতজন। বৃহস্পতিবার দেশটির পুলিশ প্রশাসন আনুষ্ঠানিকভাবে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সাম্প্রতিক সময়ে শ্রীলঙ্কায় অগ্নিকাণ্ডে এত বেশি মানুষের প্রাণহানির ঘটনায় এটিকে অন্যতম ভয়াবহ ও বড় দুর্ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করেছে স্থানীয় পুলিশ কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনার পর বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্ট বেসরকারি বৃদ্ধাশ্রমটির মালিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে পুলিশি তদন্ত জোরদার করা হয়েছে।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে রাজধানী কলম্বো থেকে প্রায় ৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত কালুতারা জেলার আঙ্গুরুওয়াতোতার 'মাউপিয়া সেভানা এল্ডারলি কেয়ার হোম' নামের ওই বৃদ্ধাশ্রমে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ এবং স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যৌথভাবে উদ্ধারকাজ ও আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে রাজধানী কলম্বো থেকে প্রায় ৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত কালুতারা জেলার আঙ্গুরুওয়াতোতার 'মাউপিয়া সেভানা এল্ডারলি কেয়ার হোম' নামের ওই বৃদ্ধাশ্রমে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ এবং স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যৌথভাবে উদ্ধারকাজ ও আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়।
ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে প্রাথমিকভাবে ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয় এবং আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুজনের মৃত্যু হয়, যাদের সবাই ওই বৃদ্ধাশ্রমের প্রবীণ বাসিন্দা ছিলেন। অগ্নিকাণ্ডের সময় ওই প্রতিষ্ঠানটিতে ৭০ জনেরও বেশি প্রবীণ ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষ অবস্থান করছিলেন।
উদ্ধারকর্মীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আগুনের লেলিহান শিখার মধ্য থেকে মোট ৫১ জন বাসিন্দাকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন এবং তাদের সাময়িকভাবে নিকটবর্তী একটি স্কুলে নিরাপদ আশ্রয়ে রাখা হয়েছে। অন্যদিকে আগুনে দগ্ধ ও আহত সাতজন বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
উদ্ধারকর্মীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আগুনের লেলিহান শিখার মধ্য থেকে মোট ৫১ জন বাসিন্দাকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন এবং তাদের সাময়িকভাবে নিকটবর্তী একটি স্কুলে নিরাপদ আশ্রয়ে রাখা হয়েছে। অন্যদিকে আগুনে দগ্ধ ও আহত সাতজন বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
হোরানা ম্যাজিস্ট্রেট লক্ষ্মীণি বিদানাগামাগের সরাসরি তত্ত্বাবধানে ইতোমধ্যে ঘটনাস্থলে একটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে এবং তার উপস্থিতিতেই ধ্বংসস্তূপ থেকে পুড়ে যাওয়া দগ্ধ মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছিল যে, ভেতরে থাকা গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের কারণে আগুন খুব দ্রুত পুরো ভবনে ছড়িয়ে পড়েছিল; তবে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট ও প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি এবং তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।