নওগাঁর বদলগাছীতে স্ত্রী স্বীকৃতি না দেওয়ায় সংবাদ সম্মেলন করেছেন মুক্তা পারভীন নামে এক নারী। তিনি বলেন, উপজেলা সদর ইউপির ভাতশাইল গ্রামের জছির উদ্দীন এর ছেলে কিবরিয়ার সঙ্গে বিয়ে হয় মুক্তা বেগমের।
একই গ্রামের মৃত মতিন চৌধুরীর ছেলে শিক্ষক মোস্তাক আহমেদ মুক্তাকে প্রেমের জালে ফেলে অবৈধ ভাবে দৈহিক সম্পর্ক করে। মুক্তা এর একটা সুরাহ চেয়ে মোস্তাক আহমেদকে চাপসৃষ্টি করলে ২০১৮ সালে ৮ জুন ৪৯৯৯/- টাকা কাবিনে বিয়ে করেন মোস্তাক চৌধুরী।
প্রথম স্ত্রী রেবেকা সুলতানার অগোচরেই নওগাঁ শহরে বাসা ভাড়া করে ঘর সংসার করে মোস্তক আহম্মেদ। ঘর সংসার করাকালীন সময়ে ০৩-০৮-২০২১ইং তারিখে তাদের একটা কন্যা সন্তানের জন্ম গ্রহন করে। ভুক্তভুগি মুক্তা পারভীন বলেন, গত ২০১৮ সালে জানুয়ারি মাস থেকে আমার সাথে প্রেম ও শারিরীক সম্পর্ক পর্যন্ত গড়ায়।
শারিরীক সম্পর্কে পরে তাকে বিয়ের কথা বললে মোস্তাক আহমেদ বলে কিবরিয়া স্বামী তালাক কর তার পরামর্শে গত ১২-০১-২৬ তারিখে বদলগাছী কাজী অফিসে সাবেক স্বামী কিবরিয়াকে তালাক করে।
এবং গত ৩০/০১/২৬ ইং তারিখে ১০ লক্ষ টাকা দেনমোহর করে পূনরায় আবার বিয়ের কাবিন করে। বিয়ের পর আমাদের মেয়ে কানিজ ফাতেমা মম নামে একটি কন্যা জন্ম গ্রহন করেন। মুক্তা পারভীন আরো বলেন, আমার স্বামী মোস্তাক আহমেদ চৌধুরী রাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন প্রধান শিক্ষক।
দীর্ঘদিন ধরে আমার ও আমার কন্যা সন্তানের ভরনপোষণ দেওয়া বন্ধ করেন। এমতাবস্থায় আমার ও আমার সন্তানের জীবন হুমকির মুখে।সে যদি আমার ও আমার সন্তানকে অস্বীকার করেন তাহলে আমার মৃত্যু ছাড়া কোন উপায় নেই।
মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে মোস্তাক আহমেদ বলেন আমি ভরনপোষণ দিয়ে আসছি আমার বড় স্ত্রী রেবেকা সুলতানা আমাদের সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় একটু সমস্যা হয়েছে।