সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টিকটকে করা একটি কমেন্টকে কেন্দ্র করে নড়াইলে দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল মারামারি ও রক্তপাতের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার দুপুরে নড়াইল সদর উপজেলার রতডাঙ্গা গ্রামে এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে, যাতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।
আহতদের উদ্ধার করে তাৎক্ষণিকভাবে নড়াইল জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ভার্চুয়াল জগতের এই বিরোধ শেষ পর্যন্ত দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে রক্তক্ষয়ী রণক্ষেত্রে রূপ নেয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রতডাঙ্গা গ্রামের মল্লিক পাড়ার মন্নু মোল্লার ছেলে আশরাফুল এবং উত্তর পাড়ার কবির ফকিরের ছেলে মিজানের মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে টিকটকে মন্তব্য করা নিয়ে বিরোধ চলছিল।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রতডাঙ্গা গ্রামের মল্লিক পাড়ার মন্নু মোল্লার ছেলে আশরাফুল এবং উত্তর পাড়ার কবির ফকিরের ছেলে মিজানের মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে টিকটকে মন্তব্য করা নিয়ে বিরোধ চলছিল।
ঘটনার দিন কথাকাটাকাটি ও বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে দুই যুবকের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। সামান্য এই হাতাহাতির ঘটনা দ্রুতই দুই পরিবারের গণ্ডি পেরিয়ে গ্রাম্য কোন্দলে রূপ নেয়। আশরাফুল ও মিজানের পক্ষ নিয়ে মল্লিক পাড়া এবং উত্তর পাড়ার লোকজন রামদা, লাঠিসোঁটা ও ধারালো দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একে অপরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়লে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
সংঘর্ষের খবর পেয়ে নড়াইল সদর থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। এই ঘটনার পর থেকে রতডাঙ্গা গ্রামে চরম উত্তেজনা ও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করায় পুনরায় সংঘর্ষ এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
সংঘর্ষের খবর পেয়ে নড়াইল সদর থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। এই ঘটনার পর থেকে রতডাঙ্গা গ্রামে চরম উত্তেজনা ও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করায় পুনরায় সংঘর্ষ এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অজয় কুমার কুণ্ডু জানান, টিকটকের কমেন্ট নিয়ে দুই যুবকের ব্যক্তিগত বিরোধ থেকে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়েছে। পুলিশ দ্রুত গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে এবং এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।