প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে বিরোধী দলগুলোর বিভিন্ন সমালোচনা ও শঙ্কাকে খুব একটা আমলে নিচ্ছেন না সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌপরিবহন এবং রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
বাজেটের সমালোচনা প্রসঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের মতো অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোর ঘাটতি বাজেটের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, বাজেট নিয়ে নেতিবাচক কিছু নয়, সংসদে মূলত কিছু শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
রাজস্ব আয়ে ঘাটতির যে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে, তা বাস্তবসম্মত নয়। ই-চালানের মাধ্যমে রাজস্ব সংগ্রহ, কর অব্যাহতি হ্রাস, রাজস্ব ফাঁকি রোধে কঠোর নজরদারি এবং ভ্যাট কাঠামোর নতুন বিন্যাসের কারণে কোনো ধরনের রাজস্ব ঘাটতি হবে না বলে তিনি জোরালো দাবি করেন।
সংসদে সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধী দলের অনভিজ্ঞতার সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন, ‘যারা বাজেট নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছেন, তাদের জন্য বলতে চাই— আপনারা প্রথমবার বিরোধী দল হয়েছেন, তাই অনেক জায়গায় সমালোচনা করতে ভুল করছেন।
সংসদে সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধী দলের অনভিজ্ঞতার সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন, ‘যারা বাজেট নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছেন, তাদের জন্য বলতে চাই— আপনারা প্রথমবার বিরোধী দল হয়েছেন, তাই অনেক জায়গায় সমালোচনা করতে ভুল করছেন।
এখনও সরকারি দল হতে পারেন নাই। আমার বিশ্বাস, আরো দুই-চার-পাঁচবার বিরোধী দলে থাকলে আস্তে আস্তে কীভাবে গঠনমূলক সমালোচনা করতে হয়, তা বুঝে যাবেন। তাই আমি ওই সমালোচনাকে খুব একটা আমলে নিচ্ছি না।’
শেখ রবিউল আলম আরও উল্লেখ করেন, আমাদের রাজস্ব আহরণ করের অনুপাত বর্তমানে প্রায় ৯ শতাংশের কাছাকাছি, যেখানে নেপাল ও ভুটানের মতো দেশগুলো ১৩ থেকে ১৪ শতাংশ আদায় করে। বাংলাদেশকে সেই পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্যই অর্থমন্ত্রী এবার এই বড় চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন।
শেখ রবিউল আলম আরও উল্লেখ করেন, আমাদের রাজস্ব আহরণ করের অনুপাত বর্তমানে প্রায় ৯ শতাংশের কাছাকাছি, যেখানে নেপাল ও ভুটানের মতো দেশগুলো ১৩ থেকে ১৪ শতাংশ আদায় করে। বাংলাদেশকে সেই পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্যই অর্থমন্ত্রী এবার এই বড় চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন।
ব্যাংক ঋণের বিষয়ে উত্থাপিত তথ্যের জবাব দিয়ে তিনি বলেন, ব্যাংকের ওপর সরকারের নির্ভরশীলতা মূলত কমেছে। বিগত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ব্যাংক ঋণ যেখানে ছিল ১ লাখ ১৮ হাজার কোটি টাকা, সেখানে এবারের প্রস্তাবিত বাজেটে তা কমিয়ে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে। ফলে সরকারের সঠিক অর্থনৈতিক পরিকল্পনায় বাজেট শতভাগ বাস্তবায়িত হবে।