চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত সাজ্জাদ আলী খান ওরফে বড় সাজ্জাদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী মোবারক হোসেন ইমনকে গ্রেপ্তারের যে তথ্য ছড়িয়ে পড়েছিল, তা সঠিক নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি ইমন নামের হলেও তিনি বড় সাজ্জাদের সহযোগী মোবারক হোসেন ইমন নন।
সোমবার রাতে ঢাকার গুলশান-২ এলাকায় অভিযান চালিয়ে বড় সাজ্জাদের সহযোগী ইমনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে একটি বিশেষ সংস্থা এবং চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার হাসান মো. শওকত আলীর বরাত দিয়ে খবর প্রকাশিত হয়।
সোমবার রাতে ঢাকার গুলশান-২ এলাকায় অভিযান চালিয়ে বড় সাজ্জাদের সহযোগী ইমনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে একটি বিশেষ সংস্থা এবং চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার হাসান মো. শওকত আলীর বরাত দিয়ে খবর প্রকাশিত হয়।
তবে পরে যাচাই-বাছাই করে দেখা যায়, আটক ব্যক্তি রাউজান উপজেলার বাসিন্দা এবং তিনি একটি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম জানান, সিএমপির একটি দলের সঙ্গে সমন্বয় করে রাজধানীর ‘আমারি ঢাকা’ হোটেলে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল। তবে ওই অভিযানে আটক ব্যক্তি বড় সাজ্জাদের সহযোগী কি না, সে বিষয়ে পরবর্তীতে ভিন্ন তথ্য সামনে আসে।
এদিকে গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দাউদ হোসেন বলেন, অভিযানে ডিবি ও একটি বিশেষ সংস্থা অংশ নিয়েছিল। তবে এ বিষয়ে তাদের কাছে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
অন্যদিকে বড় সাজ্জাদ দাবি করেছেন, তার সহযোগী মোবারক হোসেন ইমন গ্রেপ্তার হননি। সোমবার গভীর রাতে গণমাধ্যমকে তিনি জানান, কিছুক্ষণ আগেই তার সঙ্গে ইমনের কথা হয়েছে।
পরবর্তীতে সিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) আমিনুর রশিদও নিশ্চিত করেন যে, বড় সাজ্জাদের সহযোগী হিসেবে পরিচিত মোবারক হোসেন ইমনকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। ফলে গ্রেপ্তার নিয়ে সৃষ্ট বিভ্রান্তির অবসান ঘটেছে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম জানান, সিএমপির একটি দলের সঙ্গে সমন্বয় করে রাজধানীর ‘আমারি ঢাকা’ হোটেলে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল। তবে ওই অভিযানে আটক ব্যক্তি বড় সাজ্জাদের সহযোগী কি না, সে বিষয়ে পরবর্তীতে ভিন্ন তথ্য সামনে আসে।
এদিকে গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দাউদ হোসেন বলেন, অভিযানে ডিবি ও একটি বিশেষ সংস্থা অংশ নিয়েছিল। তবে এ বিষয়ে তাদের কাছে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
অন্যদিকে বড় সাজ্জাদ দাবি করেছেন, তার সহযোগী মোবারক হোসেন ইমন গ্রেপ্তার হননি। সোমবার গভীর রাতে গণমাধ্যমকে তিনি জানান, কিছুক্ষণ আগেই তার সঙ্গে ইমনের কথা হয়েছে।
পরবর্তীতে সিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) আমিনুর রশিদও নিশ্চিত করেন যে, বড় সাজ্জাদের সহযোগী হিসেবে পরিচিত মোবারক হোসেন ইমনকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। ফলে গ্রেপ্তার নিয়ে সৃষ্ট বিভ্রান্তির অবসান ঘটেছে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা।