ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গতকাল শনিবার (১ নভেম্বর) রাতে পাল্টাপাল্টি সন্ত্রাসী হামলায় গুলিবিদ্ধ চারজনের মধ্যে একজন মারা গেছেন।
রোববার (২ নভেম্বর) সকাল ৯টার দিকে খবর আসে শিপন মারা গেছেন। পরিবারের সদস্যরা জানান, চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিপনের মৃত্যু হয়। মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গণি শাহ মাজারসংলগ্ন এক চা দোকানে শনিবার রাতে নূরজাহানপুরের শিপন গ্রুপ ও থোল্লাকান্দির রিফাত গ্রুপের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। তুচ্ছ কথাকাটাকাটির জেরে শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও গুলিবর্ষণ। এ সময় শিপনসহ অন্তত তিনজন গুলিবিদ্ধ হন।
অন্য আহতরা হলেন—আলমনগরের ইয়াসিন ও চরলাপাং গ্রামের নুর আলম।
নিহতের ভাই জসিম উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, “আমার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। এলাকায় আধিপত্য নিয়ে আগে থেকেই তাদের মধ্যে বিরোধ ছিল। গতকাল ওরা সুযোগ পেয়ে গুলি করেছে।”
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীনুর ইসলাম বলেন, “রাতে দুই পক্ষের মধ্যে গুলিবর্ষণের ঘটনায় তিনজন আহত হন। আজ সকালে গুলিবিদ্ধ শিপন মারা গেছেন। ইতোমধ্যে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে আছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তের কাজ চলছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”