বাগেরহাটের হযরত খানজাহান (রহ.) মাজার শরীফের দীঘিতে গোসল করতে নামা আট বছরের শিশু ফাতেমাকে টেনে নিয়ে যাওয়ার সেই আলোচিত কুমিরটিকে অবশেষে আটক করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে বন অধিদপ্তরের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিভাগের একটি বিশেষজ্ঞ দল দীঘির পূর্ব পাড় থেকে কুমিরটিকে অক্ষত অবস্থায় ধরতে সক্ষম হয়।
এরপর বিশেষ ব্যবস্থায় গাড়িযোগে সেটিকে খুলনা বিভাগীয় বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিভাগে কিছুদিন নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখার পর কুমিরটির আচরণ ও শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্র অথবা অন্য কোনো উপযুক্ত অভয়ারণ্যে স্থানান্তর করা হবে বলে বন বিভাগ জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১ জুন রাত সাড়ে ৮টার দিকে মাজারের মহিলা ঘাটে মায়ের সাথে গোসল করতে নেমে কুমিরের আক্রমণের শিকার হয় শিশু ফাতেমা। পরদিন সোমবার সকালে তার ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হলে মাজার এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এর আগে গত ১০ এপ্রিল একই দীঘির প্রধান ঘাটে কুমিরের আক্রমণে একটি কুকুরের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছিল।
উল্লেখ্য, গত ১ জুন রাত সাড়ে ৮টার দিকে মাজারের মহিলা ঘাটে মায়ের সাথে গোসল করতে নেমে কুমিরের আক্রমণের শিকার হয় শিশু ফাতেমা। পরদিন সোমবার সকালে তার ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হলে মাজার এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এর আগে গত ১০ এপ্রিল একই দীঘির প্রধান ঘাটে কুমিরের আক্রমণে একটি কুকুরের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছিল।
একের পর এক এসব অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা ও দর্শনার্থীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। জননিরাপত্তার স্বার্থে মাজারের একমাত্র কুমিরটিকে সরিয়ে নেওয়ার জোর দাবির মুখে জেলা প্রশাসন দ্রুত এই সিদ্ধান্ত নেয়। বাগেরহাট পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিভাগের ডিএফও নির্মল কুমার পালের নেতৃত্বে বিশেষজ্ঞ দলটি সফলভাবে এই উদ্ধার অভিযান সম্পন্ন করায় মাজার ও আশপাশের এলাকার মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে