কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার পচামাদিয়া হাই স্কুলপাড়া এলাকায় একটি পানি পড়ার আস্তানায় আরবি হরফে লেখা এক টুকরো কাফনের কাপড়কে ঘিরে স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক রহস্য ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে। রোববার সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা ওই আস্তানায় রহস্যময় কাপড়টি দেখতে পান।
মুহূর্তের মধ্যে এই খবর চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক জনতা ঘটনাস্থলে ভিড় জমাতে শুরু করেন। কাপড়ের টুকরোটিতে আরবি ভাষার কিছু লেখা এবং একটি বিশেষ নকশা অঙ্কিত থাকায় এটি নিয়ে এলাকায় নানামুখী গুঞ্জন শুরু হয়।
স্থানীয়দের একাংশের ধারণা, এটি কোনো কুফরি কালাম বা জাদুটোনা করার উদ্দেশ্যে গভীর রাতে কে বা কারা রেখে গিয়ে থাকতে পারে। ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বেশ আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা স্থানীয় মসজিদের ইমাম জাহাঙ্গীর আলম জানান, সকালে খবর পেয়ে তিনি সেখানে গিয়ে আরবি বা সমজাতীয় ভাষায় লেখা এবং নকশা করা একটি কাপড়ের টুকরো দেখতে পান, যা দেখতে কাফনের কাপড়ের মতোই মনে হচ্ছিল।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা স্থানীয় মসজিদের ইমাম জাহাঙ্গীর আলম জানান, সকালে খবর পেয়ে তিনি সেখানে গিয়ে আরবি বা সমজাতীয় ভাষায় লেখা এবং নকশা করা একটি কাপড়ের টুকরো দেখতে পান, যা দেখতে কাফনের কাপড়ের মতোই মনে হচ্ছিল।
তবে দুপুরের দিকে যোহরের নামাজ শেষে তিনি আবার সেখানে গিয়ে জানতে পারেন, রহস্য ও আতঙ্ক কাটাতে স্থানীয় লোকজন একত্রিত হয়ে ওই কাপড়ের টুকরোটি আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করে ফেলেছে।
এদিকে এমন একটি ঘটনা এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি করলেও দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানিয়েছেন, এই বিষয়ে পুলিশ প্রশাসনের কাছে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক খবর বা অভিযোগ আসেনি।