দীর্ঘ প্রায় আড়াই বছরের পলাতক জীবনের পর অবশেষে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের সহায়তায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে গ্রেপ্তার হয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ। রোববার জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ তাঁর গ্রেপ্তারের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ইন্টারপোলের মাধ্যমে জারি করা ‘রেড নোটিশ’-এর ভিত্তিতে গত ১২ জুন দুবাইয়ের ফেডারেল ক্রিমিনাল পুলিশ বাংলাদেশের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরোকে (এনসিবি) ইমেইলের মাধ্যমে গ্রেপ্তারের তথ্যটি অবহিত করে। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে তাঁর বিরুদ্ধে এই আন্তর্জাতিক পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল।
বেনজীর আহমেদের গ্রেপ্তারের খবর নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। সাবেক এই পুলিশ প্রধানকে ‘শাপলার কসাই’ আখ্যা দিয়ে কঠোর মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
বেনজীর আহমেদের গ্রেপ্তারের খবর নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। সাবেক এই পুলিশ প্রধানকে ‘শাপলার কসাই’ আখ্যা দিয়ে কঠোর মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
তিনি তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক স্ট্যাটাসে ইংরেজিতে লিখেছেন, ‘দ্য বুচার অব শাপলা ইজ ডান!! নেক্সট ইন লাইন...!!’, যার বাংলা অর্থ দাঁড়ায়— ‘শাপলার কসাইয়ের অধ্যায় শেষ!! এবার পরবর্তী জনের পালা...!’ তাঁর এই মন্তব্যটি নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
আলোচিত এই পুলিশ কর্মকর্তার গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার অপরাধের বিচার ও জবাবদিহিতার এক নতুন প্রক্রিয়া শুরু হলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।