রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকেল থেকে সন্ধ্যার মধ্যে সারা দেশে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ের সময় বজ্রাঘাতে ৭টি জেলায় অন্তত ১৩ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ঘটা এসব দুর্ঘটনায় সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে গাইবান্ধায়। প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতে বিস্তারিত নিচে তুলে ধরা হলো:
গাইবান্ধা: জেলার সুন্দরগঞ্জ, সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলায় বজ্রাঘাতে ৫ জন নিহত হয়েছেন। সুন্দরগঞ্জে ধান কাটার সময় ৩ জন কৃষক, সাঘাটায় জমিতে কাজ করার সময় মোবার আলী নামে এক বৃদ্ধ এবং ফুলছড়ির চরাঞ্চলে ঘোড়ার গাড়ি নিয়ে যাওয়ার সময় মানিক মিয়া নামে এক ব্যক্তি প্রাণ হারান।
জামালপুর: এখানে পৃথক স্থানে বজ্রাঘাতে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন আরও ২ জন। নিহতরা হলেন সদর উপজেলার হাসমত আলী এবং মেলান্দহ উপজেলার মর্জিনা। মর্জিনা বাড়ির উঠানে রান্না করার সময় এবং হাসমত মাঠ থেকে গরু নিয়ে ফেরার সময় বজ্রপাতের শিকার হন।
সিরাজগঞ্জ: সিরাজগঞ্জে বজ্রাঘাতে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাড়াশ উপজেলার বেত্রাশিন গ্রামে জমিতে কাজ করার সময় আব্দুল হামিদ এবং রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া ইউনিয়নে হাসান শেখ নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়।
নাটোর: নাটোরের সিংড়া উপজেলার চলনবিলে ধান কাটার সময় বজ্রাঘাতে সম্রাট হোসেন (২৬) নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। তার বাড়ি সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলায়।
বগুড়া: গাবতলী উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নে জমি থেকে ছাগল আনতে গিয়ে বজ্রাঘাতে সুমন (৩৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
পঞ্চগড়: আটোয়ারী উপজেলার সোনাপাতিলা এলাকায় চা বাগানে পাতা তোলার সময় বজ্রাঘাতে সোহরাওয়ার্দী (২৫) নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও ২ জন শ্রমিক আহত হয়েছেন।