চুয়াডাঙ্গার দর্শনা সীমান্তে জুলফিকার (২২) নামে এক বাংলাদেশি যুবককে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ) ধরে নিয়ে গেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। শনিবার সন্ধ্যায় দর্শনা-গেদে আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট সংলগ্ন জিরো পয়েন্ট এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটক জুলফিকার দর্শনা সীমান্ত এলাকার জয়নগর গ্রামের কালু মৌলভীর ছেলে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সীমান্ত এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে উত্তেজনা ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও গ্রামবাসীদের দাবি, শনিবার সন্ধ্যার আগে জুলফিকার তার কয়েকজন সঙ্গীকে নিয়ে সীমান্তবর্তী এলাকায় খড়ি (জ্বালানি কাঠ) কুড়াতে গিয়েছিলেন। তারা দর্শনা-গেদে চেকপোস্টের মাঝামাঝি এলাকায় অবস্থান করার সময় ভারতের গেদে বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও গ্রামবাসীদের দাবি, শনিবার সন্ধ্যার আগে জুলফিকার তার কয়েকজন সঙ্গীকে নিয়ে সীমান্তবর্তী এলাকায় খড়ি (জ্বালানি কাঠ) কুড়াতে গিয়েছিলেন। তারা দর্শনা-গেদে চেকপোস্টের মাঝামাঝি এলাকায় অবস্থান করার সময় ভারতের গেদে বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে।
এ সময় জুলফিকারের সাথে থাকা অন্য ২-৩ জন সঙ্গী কৌশলে পালিয়ে বাংলাদেশে চলে আসতে সক্ষম হলেও বিএসএফ সদস্যরা জুলফিকারকে ধরে ফেলে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিএসএফ সদস্যরা জুলফিকারকে এলোপাতাড়ি মারধর করতে করতে ভারতীয় সীমান্তের ভেতরে নিয়ে যায়।
তবে স্থানীয়দের দাবির চেয়ে ভিন্ন তথ্য দিয়েছেন চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়ন (৬ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান।
তবে স্থানীয়দের দাবির চেয়ে ভিন্ন তথ্য দিয়েছেন চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়ন (৬ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান।
বিজিবি অধিনায়কের বরাতে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জয়নগর গ্রামের কয়েকজন যুবক জিরো পয়েন্ট এলাকায় গিয়ে দর্শনা-গেদে রেলপথের নিরাপত্তা বেষ্টনীর (কাঁটাতারের বেড়া বা গ্রিল) কিছু অংশ খোলার বা চুরির চেষ্টা করছিল।
ওই সময় কর্তব্যরত বিএসএফ সদস্যরা টের পেয়ে অভিযান চালালে অন্য যুবকেরা পালিয়ে যায় এবং ঘটনাস্থল থেকে জুলফিকারকে আটক করা হয়। বিজিবি অধিনায়ক আরও জানান, আটককৃত বাংলাদেশি যুবককে ভারতীয় রেলওয়ে পুলিশ বা স্থানীয় থানায় সোপর্দ করা হতে পারে বলে তারা জানতে পেরেছেন এবং এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে।