কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলায় মৃত্যুর প্রায় তিন মাস পর আদালতের নির্দেশে মনোয়ারা খাতুন (৪৬) নামের এক গৃহবধূর লাশ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। রোববার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার নওদা ক্ষেমিড়দিয়াড় কবরস্থান থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও চিকিৎসকদের উপস্থিতিতে লাশটি উত্তোলন করা হয়।
পরবর্তীতে মৃত্যুর সঠিক কারণ উদ্ঘাটনের উদ্দেশ্যে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত মনোয়ারা খাতুন ওই এলাকার বাসিন্দা এবং মৃত্যুর সময়ে তিনি ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন বলে জানা গেছে।
এলাকাবাসীর বরাতে জানা যায়, মনোয়ারা খাতুনের মৃত্যুটি অত্যন্ত রহস্যজনক। গত ২০শে মার্চ তার মৃত্যুর পর থেকেই তার দ্বিতীয় স্বামী আমিন ব্যাপারী পলাতক রয়েছেন।
এলাকাবাসীর বরাতে জানা যায়, মনোয়ারা খাতুনের মৃত্যুটি অত্যন্ত রহস্যজনক। গত ২০শে মার্চ তার মৃত্যুর পর থেকেই তার দ্বিতীয় স্বামী আমিন ব্যাপারী পলাতক রয়েছেন।
এই ঘটনায় মনোয়ারা খাতুনের প্রথম পক্ষের ছেলে সুমন হোসেন বাদী হয়ে কুষ্টিয়া আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার প্রেক্ষিতেই আদালতের পক্ষ থেকে কবর থেকে লাশ উত্তোলন করে পুনরায় ময়নাতদন্তের এই নির্দেশ দেওয়া হয়।
লাশ উত্তোলনের সময় আইনগত প্রক্রিয়া তদারকির জন্য উপস্থিত ছিলেন ভেড়ামারা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ডা. গাজী আশিক বাহার এবং ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. লতিফুল কবির লিমন।
লাশ উত্তোলনের সময় আইনগত প্রক্রিয়া তদারকির জন্য উপস্থিত ছিলেন ভেড়ামারা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ডা. গাজী আশিক বাহার এবং ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. লতিফুল কবির লিমন।
ভেড়ামারা থানার ওসি (তদন্ত) রাকিবুল ইসলাম (রকিব) এই বিষয়ে জানিয়েছেন যে, লাশ উত্তোলন করে মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।