বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলায় দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময়ের রাজনৈতিক সম্পর্কের ইতি টেনে অভিনব উপায়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ত্যাগ করেছেন শেখ তারেক নামের এক সক্রিয় কর্মী। গতকাল শুক্রবার পবিত্র জুম্মার নামাজের আগে নিজ বাড়িতে দুধ ও পানি দিয়ে গোসল করে দল ত্যাগের এই ব্যতিক্রমী ঘোষণা দেন তিনি।
চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার মানসা বাহিরদিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে। দীর্ঘ ১৪-১৫ বছর ধরে দলের একজন একনিষ্ঠ ও সক্রিয় কর্মী হিসেবে যুক্ত থাকার পর হঠাৎ দুধ দিয়ে গোসল করে তাঁর দল ছাড়ার এই ঘটনাটি পুরো এলাকায় ব্যাপক কৌতুহল ও তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শেখ তারেক দীর্ঘদিন ধরে মানসা বাহিরদিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে জামায়াতের মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন। গতকাল জুম্মার নামাজের পূর্বে তিনি প্রকাশ্যে দুধ-পানি দিয়ে গোসল সম্পন্ন করেন এবং আনুষ্ঠানিকভাবে দল ত্যাগের সিদ্ধান্ত প্রকাশ করেন।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শেখ তারেক দীর্ঘদিন ধরে মানসা বাহিরদিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে জামায়াতের মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন। গতকাল জুম্মার নামাজের পূর্বে তিনি প্রকাশ্যে দুধ-পানি দিয়ে গোসল সম্পন্ন করেন এবং আনুষ্ঠানিকভাবে দল ত্যাগের সিদ্ধান্ত প্রকাশ করেন।
এ সময় শেখ তারেক গণমাধ্যমকে বলেন, ‘দীর্ঘ ১৪-১৫ বছর আমি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাথে যুক্ত ছিলাম। পবিত্র জুম্মার দিনে আজ দুধ-পানি দিয়ে গোসল করে আমি দল থেকে চিরতরে নিজেকে মুক্ত করলাম।
এখন থেকে জামায়াতের কোনো রাজনৈতিক বা সাংগঠনিক কার্যক্রমের সাথে আমার আর কোনো সম্পর্ক থাকবে না।’ তবে কী কারণে তিনি দীর্ঘদিনের এই রাজনৈতিক আদর্শ ত্যাগ করলেন, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ তিনি স্পষ্ট করেননি।
এদিকে, দুধ দিয়ে গোসল করে দল ত্যাগের ছবি ও খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গন ও বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
এদিকে, দুধ দিয়ে গোসল করে দল ত্যাগের ছবি ও খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গন ও বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
এ বিষয়ে মানসা বাহিরদিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের আমির ফরহাদ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘শেখ তারেক দীর্ঘদিন ধরে জামায়াতের একজন সাধারণ কর্মী হিসেবে যুক্ত ছিলেন, তবে তিনি দলের কোনো পদধারী নেতা নন।
তিনি হয়তো কোনো কারণে ভুল বুঝে আবেগতাড়িত হয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আমরা সাংগঠনিকভাবে তাঁর সাথে যোগাযোগ করছি এবং তাঁর ভুল ভাঙিয়ে দলে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চালাচ্ছি।