Chief TV - Leading online news portal of Bangladesh.

Home Ad
collapse
Home / রাজনীতি / জুলাই যোদ্ধাদের দেখভালে পৃথক দপ্তর খোলার প্রতিশ্রুতি - Chief TV

জুলাই যোদ্ধাদের দেখভালে পৃথক দপ্তর খোলার প্রতিশ্রুতি - Chief TV

2026-01-18  ডেস্ক রিপোর্ট  109 views
জুলাই যোদ্ধাদের দেখভালে পৃথক দপ্তর খোলার প্রতিশ্রুতি - Chief TV

জনগণের ভোটে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের দেখভালের জন্য মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় একটি পৃথক বিভাগ গঠনের আশ্বাস দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

রোববার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন।

তারেক রহমান বলেন, একটি নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ব্যর্থ হলে ভবিষ্যতেও বারবার শোকের আয়োজন করতে হবে। তাই শোক সমাবেশের ধারাবাহিকতা নয়, গণতন্ত্রের বিজয়গাথা রচনার মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি উল্লেখ করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা শহীদ হয়েছেন এবং যারা আহত হয়েছেন, তারা সবাই মুক্তিযোদ্ধার মর্যাদার দাবিদার। যেমন ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধারা দেশকে স্বাধীন করেছিলেন, তেমনি ২০২৪ সালে জুলাইয়ের যোদ্ধারা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ভূমিকা রেখেছেন।

বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি আলাদা বিভাগ চালু করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, এই বিভাগের মূল দায়িত্ব থাকবে জুলাই শহীদ পরিবার ও আহতদের সার্বিক দেখভাল করা। হারানো স্বজনদের ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়, তবে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব হিসেবে তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানো হবে।

দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, এ সময় হাজার হাজার মানুষ গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। শুধু জুলাই গণঅভ্যুত্থানেই দেড় হাজারের বেশি মানুষ শহীদ হয়েছেন এবং প্রায় ৩০ হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। অনেকেই স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। তিনি এসব ঘটনাকে গণহত্যা হিসেবে আখ্যা দেন।

তারেক রহমান আরও বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান কোনো একক দল বা গোষ্ঠীর আন্দোলন ছিল না। এটি ছিল দল-মত ও ধর্ম নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের সম্মিলিত আন্দোলন, যার মূল লক্ষ্য ছিল জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠা।

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, একটি নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে সুষ্ঠু নির্বাচন অপরিহার্য। জনগণের রায়ে বিএনপি ক্ষমতায় এলে শহীদ ও আহতদের প্রতি দেওয়া প্রতিশ্রুতি ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে।

বক্তব্যের শেষাংশে তিনি শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য লাভের জন্য দোয়া করেন।

মতবিনিময় সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমানও অংশ নেন। এ অনুষ্ঠানে প্রায় এক হাজার চারশ’ শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যদের আমন্ত্রণ জানানো হয়।


Share: