কালিহাতী আসনে শুরু হয়েছে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা। এরই মধ্যে নির্বাচনী মাঠে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে—গ্রাম থেকে শহর, চায়ের দোকান থেকে হাট-বাজার—সবখানেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু এখন মোটরসাইকেল প্রতীক।
ইঞ্জিনিয়ার মো. আব্দুল হালিম মিয়া শুধু একজন প্রার্থী নন—তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কর্মী এবং জনগণের আস্থার প্রতীক। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সহসভাপতি এবং ঢাকা মহানগর মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও দেশপ্রেমের আদর্শে তিনি দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি করে আসছেন।
২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েও দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতি অটুট আনুগত্য দেখিয়ে তিনি প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীকে আসনটি ছেড়ে দেন—যা তাঁর ত্যাগ, সততা ও দলীয় শৃঙ্খলার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক কর্মকাণ্ডেও তাঁর অবদান উল্লেখযোগ্য। তিনি শ্রমজীবী মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন সবসময়। জনগণের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক ও উন্নয়নমুখী চিন্তাভাবনা তাঁকে কালিহাতীর মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় করে তুলেছে।
প্রতীক পাওয়ার পর থেকেই তিনি পুরোদমে গণসংযোগ শুরু করেছেন। বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলছেন এবং এলাকার উন্নয়ন, শিক্ষা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, যমুনা নদীর ভাঙন রোধসহ নানা জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করছেন। পাশাপাশি দিচ্ছেন বাস্তবসম্মত প্রতিশ্রুতি।
এলাকাবাসীর মধ্যে এখন ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অনেকের ধারণা, মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে ইঞ্জিনিয়ার হালিম মিয়া এগিয়ে যাচ্ছেন বিজয়ের পথে।
টাঙ্গাইল-৪ আসনে এভাবেই শুরু হলো আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী লড়াইয়ের সুন্দর সূচনা। কালিহাতীবাসীর বিশ্বাস, জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল হালিম মিয়ার মতো যোগ্য ও ত্যাগী নেতার হাতেই এলাকার ভবিষ্যৎ আরও উজ্জ্বল হবে।