বাসদ (মার্কসবাদী)'র প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক কমরেড মুবিনুল হায়দার চৌধুরীর ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে গাইবান্ধায় স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১১ জুলাই ২০২৬) দুপুর ১২টায় বাসদ (মার্কসবাদী) গাইবান্ধা জেলা শাখার উদ্যোগে গাইবান্ধা পাবলিক লাইব্রেরি হলরুমে এ স্মরণসভার আয়োজন করা হয়।
স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন বাসদ (মার্কসবাদী) গাইবান্ধা জেলা শাখার আহ্বায়ক কমরেড আহসানুল হাবিব সাঈদ।
শনিবার (১১ জুলাই ২০২৬) দুপুর ১২টায় বাসদ (মার্কসবাদী) গাইবান্ধা জেলা শাখার উদ্যোগে গাইবান্ধা পাবলিক লাইব্রেরি হলরুমে এ স্মরণসভার আয়োজন করা হয়।
স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন বাসদ (মার্কসবাদী) গাইবান্ধা জেলা শাখার আহ্বায়ক কমরেড আহসানুল হাবিব সাঈদ।
বক্তব্য রাখেন বাসদ (মার্কসবাদী)'র কেন্দ্রীয় নির্বাহী ফোরামের সদস্য কমরেড আহসানুল আরেফিন তিতু, নির্বাহী ফোরামের সদস্য কমরেড নিলুফার ইয়াসমিন শিল্পী, কৃষক-শ্রমিক জনতালীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোস্তফা মনিরুজ্জামান, জেলা কমিটির সদস্য কমরেড গোলাম ছাদেক লেবু, কমরেড পরমানন্দ দাস, রাহেলা সিদ্দিকা প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, আজীবন বিপ্লবী কমরেড মুবিনুল হায়দার চৌধুরী মার্কসবাদ-লেনিনবাদ ও কমরেড শিবদাস ঘোষের চিন্তাধারাকে বাংলাদেশের বাস্তবতায় প্রয়োগ করে বাম রাজনীতিতে একটি স্বতন্ত্র ধারা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
বক্তারা বলেন, আজীবন বিপ্লবী কমরেড মুবিনুল হায়দার চৌধুরী মার্কসবাদ-লেনিনবাদ ও কমরেড শিবদাস ঘোষের চিন্তাধারাকে বাংলাদেশের বাস্তবতায় প্রয়োগ করে বাম রাজনীতিতে একটি স্বতন্ত্র ধারা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
তিনি একটি সত্যিকারের বিপ্লবী দল গড়ে তোলার লক্ষ্যে শত শত কর্মী তৈরি করেছেন এবং নিজেও উন্নত বিপ্লবী চরিত্র গঠনের সাধনা করেছেন।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, কমরেড মুবিনুল হায়দার চৌধুরী বিশ্বাস করতেন—বড় বড় সভা-সমাবেশের চেয়ে একটি উন্নত বিপ্লবী চরিত্র গড়ে তোলা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, আদর্শ ও চরিত্রের শক্তি থাকলে সীমিত সামর্থ্য নিয়েও একটি শক্তিশালী সংগঠন গড়ে তোলা সম্ভব।
বক্তারা তাঁর জীবনাদর্শ ও সংগ্রাম দেশের যুবসমাজের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান এবং তাঁর শিক্ষা ধারণ করে বৈষম্যহীন, শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
স্মরণসভার শুরুতে কমরেড মুবিনুল হায়দার চৌধুরীর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বাসদ (মার্কসবাদী)'র কেন্দ্রীয় নির্বাহী ফোরামের সদস্য কমরেড আহসানুল আরেফিন তিতু, জেলা নেতৃবৃন্দ এবং দলের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, কমরেড মুবিনুল হায়দার চৌধুরী বিশ্বাস করতেন—বড় বড় সভা-সমাবেশের চেয়ে একটি উন্নত বিপ্লবী চরিত্র গড়ে তোলা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, আদর্শ ও চরিত্রের শক্তি থাকলে সীমিত সামর্থ্য নিয়েও একটি শক্তিশালী সংগঠন গড়ে তোলা সম্ভব।
বক্তারা তাঁর জীবনাদর্শ ও সংগ্রাম দেশের যুবসমাজের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান এবং তাঁর শিক্ষা ধারণ করে বৈষম্যহীন, শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
স্মরণসভার শুরুতে কমরেড মুবিনুল হায়দার চৌধুরীর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বাসদ (মার্কসবাদী)'র কেন্দ্রীয় নির্বাহী ফোরামের সদস্য কমরেড আহসানুল আরেফিন তিতু, জেলা নেতৃবৃন্দ এবং দলের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।