আর্জেন্টিনায় এক মর্মান্তিক ও অভাবনীয় ঘটনার জন্ম হয়েছে। চলন্ত বিমান থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন লিয়ান্দ্রো আন্দ্রেস বেরতাজ্জো নামের ৪২ বছর বয়সি এক অত্যন্ত অভিজ্ঞ ফ্লাইট প্রশিক্ষক।
শনিবার (৪ জুলাই) আকাশপথে প্রশিক্ষণের সময় এমন ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে ২২ বছর বয়সি এক অনভিজ্ঞ শিক্ষানবিশ শিক্ষার্থী দারুণ সাহসিকতার সঙ্গে বিমানটিকে নিরাপদে অবতরণ করান।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, লিয়ান্দ্রো তার শিক্ষার্থী রোজারিওকে নিয়ে ‘সেসনা ১৫০’ মডেলের প্রশিক্ষণ বিমানে আকাশে উড়েছিলেন। আকাশেই হঠাৎ নিজের সিটবেল্ট ও হেডসেট খুলে ফেলেন ওই প্রশিক্ষক।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, লিয়ান্দ্রো তার শিক্ষার্থী রোজারিওকে নিয়ে ‘সেসনা ১৫০’ মডেলের প্রশিক্ষণ বিমানে আকাশে উড়েছিলেন। আকাশেই হঠাৎ নিজের সিটবেল্ট ও হেডসেট খুলে ফেলেন ওই প্রশিক্ষক।
এরপর শিক্ষার্থীকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘তুমি জানো তোমাকে কী করতে হবে, চালিয়ে যাও’। মুহূর্তের মধ্যেই বিমানের দরজা খুলে নিচে ঝাঁপ দেন তিনি। পরে তল্লাশি চালিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বেরতাজ্জো যে ফ্লাইং স্কুলে কর্মরত ছিলেন, সেই ‘ফ্লাইং প্যারট কর্ডোবা’-এর পরিচালক এদুয়ার্দো আলভারেজ জানান, অত্যন্ত হাসিখুশি ও দক্ষ একজন মানুষ ছিলেন বেরতাজ্জো। এমনকি ওই ঘটনার সকালেও তিনি অন্য এক শিক্ষার্থীকে নিয়ে সফলভাবে ফ্লাইট পরিচালনা করেছিলেন। এই মর্মান্তিক সিদ্ধান্তের কারণ কারো কাছেই বোধগম্য নয়।
প্রশিক্ষকের এমন আকস্মিক আত্মহত্যার ঘটনায় আকাশেই স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলেন শিক্ষার্থী রোজারিও। প্রবল মানসিক ধাক্কা ও আতঙ্ক সামলে তিনি অসীম সাহসে বিমানটিকে সামলান।
বেরতাজ্জো যে ফ্লাইং স্কুলে কর্মরত ছিলেন, সেই ‘ফ্লাইং প্যারট কর্ডোবা’-এর পরিচালক এদুয়ার্দো আলভারেজ জানান, অত্যন্ত হাসিখুশি ও দক্ষ একজন মানুষ ছিলেন বেরতাজ্জো। এমনকি ওই ঘটনার সকালেও তিনি অন্য এক শিক্ষার্থীকে নিয়ে সফলভাবে ফ্লাইট পরিচালনা করেছিলেন। এই মর্মান্তিক সিদ্ধান্তের কারণ কারো কাছেই বোধগম্য নয়।
প্রশিক্ষকের এমন আকস্মিক আত্মহত্যার ঘটনায় আকাশেই স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলেন শিক্ষার্থী রোজারিও। প্রবল মানসিক ধাক্কা ও আতঙ্ক সামলে তিনি অসীম সাহসে বিমানটিকে সামলান।
ঘণ্টায় ২০০ কিলোমিটার বেগে চলা চলন্ত বিমানের নিয়ন্ত্রণ বুঝে নিয়ে তিনি সেটিকে অক্ষত অবস্থায় নিরাপদে অবতরণ করান। লিয়ান্দ্রো আন্দ্রেস বেরতাজ্জো আর্জেন্টিনা ছাড়াও চিলিতে দীর্ঘদিন ফ্লাইট প্রশিক্ষক হিসেবে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।