ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় শোক ও জানাজার মধ্যেই পারস্য উপসাগরের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে।
দুই মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওস জানিয়েছে, সোমবার (৬ জুলাই) মধ্যরাতে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এ হামলা চালায়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলায় দুটি বাণিজ্যিক জাহাজ উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।
যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্য কার্যক্রম সংস্থা (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, ওমানের লিমা উপকূলের কাছে দক্ষিণমুখী যাত্রার সময় একটি তেলবাহী ট্যাংকারের বাম পাশে অজ্ঞাত একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। এতে জাহাজটিতে আগুন ধরে গেলেও কোনো প্রাণহানি বা বড় ধরনের পরিবেশগত ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার আগে সামুদ্রিক রেডিওর মাধ্যমে ওই অঞ্চলে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে সতর্কবার্তা দিয়েছিল ইরানের বিপ্লবী গার্ড। নির্দেশনা অমান্য করলে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
হামলার শিকার হওয়া জাহাজগুলোর একটি কাতার গ্যাসের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান নাকিলাতের মালিকানাধীন এলএনজি ট্যাংকার ‘আল রেকায়াত’। ক্ষেপণাস্ত্রটি জাহাজটির ইঞ্জিন রুমের ওপরের অংশে আঘাত হানলে সেখানে আগুন ধরে যায়। যদিও জাহাজটির সব নাবিক নিরাপদে অবস্থান নিতে সক্ষম হয়েছেন।
এদিকে রাজনৈতিক ও সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্রীয় শোকের মধ্যেও হরমুজ প্রণালিতে এই হামলার মাধ্যমে ইরান তাদের সামরিক সক্ষমতা ও প্রস্তুতির বার্তা দিতে চেয়েছে। তবে এ বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলায় দুটি বাণিজ্যিক জাহাজ উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।
যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্য কার্যক্রম সংস্থা (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, ওমানের লিমা উপকূলের কাছে দক্ষিণমুখী যাত্রার সময় একটি তেলবাহী ট্যাংকারের বাম পাশে অজ্ঞাত একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। এতে জাহাজটিতে আগুন ধরে গেলেও কোনো প্রাণহানি বা বড় ধরনের পরিবেশগত ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার আগে সামুদ্রিক রেডিওর মাধ্যমে ওই অঞ্চলে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে সতর্কবার্তা দিয়েছিল ইরানের বিপ্লবী গার্ড। নির্দেশনা অমান্য করলে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
হামলার শিকার হওয়া জাহাজগুলোর একটি কাতার গ্যাসের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান নাকিলাতের মালিকানাধীন এলএনজি ট্যাংকার ‘আল রেকায়াত’। ক্ষেপণাস্ত্রটি জাহাজটির ইঞ্জিন রুমের ওপরের অংশে আঘাত হানলে সেখানে আগুন ধরে যায়। যদিও জাহাজটির সব নাবিক নিরাপদে অবস্থান নিতে সক্ষম হয়েছেন।
এদিকে রাজনৈতিক ও সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্রীয় শোকের মধ্যেও হরমুজ প্রণালিতে এই হামলার মাধ্যমে ইরান তাদের সামরিক সক্ষমতা ও প্রস্তুতির বার্তা দিতে চেয়েছে। তবে এ বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।