ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর একটি হাইভোল্টেজ ম্যাচে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ২-০ গোলের দুর্দান্ত জয়লাভ করেছে আলবিসেলেস্তেরা। এই জয়ের নায়ক আর কেউ নন— স্বয়ং ফুটবল জাদুকর লিওনেল মেসি। মাঠের সেই ‘মেসি ম্যাজিক’-এর রেশ এসে লেগেছে বাংলাদেশের শোবিজ অঙ্গনেও।
আর্জেন্টিনা দলের এই গুরুত্বপূর্ণ জয় এবং এককভাবে মেসির এমন অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্স নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উল্লাসে মেতে উঠেছেন দেশের জনপ্রিয় তারকা, সংগীতশিল্পী ও নির্মাতারা।
টেলিভিশন স্ক্রিনে লিওনেল মেসির দৃশ্যকে ব্যাকগ্রাউন্ড বানিয়ে আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে একটি ছবি পোস্ট করেছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কণা। ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘ইয়েস, আর্জেন্টিনা ভামোস।
টেলিভিশন স্ক্রিনে লিওনেল মেসির দৃশ্যকে ব্যাকগ্রাউন্ড বানিয়ে আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে একটি ছবি পোস্ট করেছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কণা। ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘ইয়েস, আর্জেন্টিনা ভামোস।
অন্যদিকে, ছোট পর্দার শীর্ষ অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী তার ফেসবুক পোস্টে মেসিকে বিশ্বকাপের ইতিহাসের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে উল্লেখ করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
খোদ কট্টর ব্রাজিল সমর্থক হিসেবে পরিচিত অভিনেতা শরিফুল রাজও মেসির এই জাদুকরি পারফরম্যান্সের সামনে নতি স্বীকার করেছেন।
খোদ কট্টর ব্রাজিল সমর্থক হিসেবে পরিচিত অভিনেতা শরিফুল রাজও মেসির এই জাদুকরি পারফরম্যান্সের সামনে নতি স্বীকার করেছেন।
মাঠের ভেতরে থাকা মেসির একটি ছবি শেয়ার করে রাজ লিখেছেন, “১৮ গোল নিয়ে লিওনেল মেসি এখন বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা, যা পুরোপুরি জাদুকরি একটি বিষয়।”
জনপ্রিয় নির্মাতা আশফাক নিপুণ মেসির এই অবিশ্বাস্য ফর্মের চুলচেরা বিশ্লেষণ করে লিখেছেন, “একসময় ৫ গোল দিয়ে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার লড়াই হতো, আর মেসি প্রথম দুই ম্যাচেই ৫ গোল করে বসে আছেন, তাও আবার একটি পেনাল্টি মিস করে।” এই বিষয়টিকে তিনি ফুটবলের ‘জমিদারি ব্যাপার স্যাপার’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।