শরীরের প্রয়োজনীয় ভিটামিন ই ও ক্যালশিয়ামের ঘাটতি পূরণে অনেকেই সকালে ভেজানো কাঠবাদাম খাওয়ার অভ্যাসে অভ্যস্ত। কিন্তু সাম্প্রতিক এক গবেষণায় জানা গেছে, কাঠবাদামের চেয়েও বেশি পুষ্টিগুণে ভরপুর ‘হিমালয়ান আমন্ড’ বা পাহাড়ি বাদাম।
পুষ্টিবিদদের মতে, দেখতে কাঠবাদামের মতো হলেও পাহাড়ি বাদামের গঠন ও স্বাদ একেবারেই আলাদা। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট, যা সাধারণত অলিভ অয়েলে পাওয়া যায়। পাশাপাশি এতে আছে প্রোটিন, ফাইবার, ম্যাগনেশিয়াম ও ভিটামিন ই— যা শরীরের সামগ্রিক স্বাস্থ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বিশেষজ্ঞরা জানান, মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে ভালো মানের ফ্যাট অপরিহার্য। পাহাড়ি বাদামে থাকা এই ফ্যাট মস্তিষ্কের কগনিটিভ ফাংশন উন্নত করে এবং ‘ব্রেন ফগ’ বা মনোসংযোগের ঘাটতি দূর করতে সহায়তা করে। এছাড়া এতে থাকা প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট সারাদিন শক্তি জোগায়, মনোভাব রাখে সতেজ ও প্রফুল্ল।

তদুপরি, রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) নিয়ন্ত্রণে রাখতেও এই বাদাম কার্যকর ভূমিকা রাখে, যা হৃদযন্ত্রের সুরক্ষায় সহায়ক।
সংক্ষেপে পাহাড়ি বাদামের উপকারিতা:
মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা ও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি
ব্রেন ফগ বা মনোসংযোগের ঘাটতি কমায়
সারাদিনের শক্তি ও উদ্যম বজায় রাখে
হার্টের সুরক্ষা ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে
ভিটামিন ই, প্রোটিন ও ম্যাগনেশিয়ামের দারুণ উৎস
পুষ্টিবিদরা বলছেন, সকালে খাবারের তালিকায় অল্প কিছু পাহাড়ি বাদাম রাখলে শরীর ও মন দুটোই থাকবে সক্রিয়, সতেজ ও সুস্থ।