নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে চিফ টিভি নিউজে "সরকারি নির্দেশনা অমান্য, নিজের খুশি মতো স্কুলে আসেন শিক্ষকরা" শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসেছে শিক্ষা প্রশাসন।
শিক্ষকদের নিয়মিত অনুপস্থিতি এবং খেয়াল-খুশি মতো বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়ার গুরুতর অভিযোগের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশে গঠিত তদন্ত কমিটি এ বিদ্যালয়ে সরেজমিনে তদন্ত পরিচালনা করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে নিজেদের ইচ্ছেমতো সময়ে বিদ্যালয়ে আসতেন এবং ক্লাস না নিয়ে দ্রুত প্রস্থান করতেন। এর ফলে বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে এবং শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে নিজেদের ইচ্ছেমতো সময়ে বিদ্যালয়ে আসতেন এবং ক্লাস না নিয়ে দ্রুত প্রস্থান করতেন। এর ফলে বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে এবং শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পায়।
এই চরম অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা নিয়ে ১৪ মে ২০২৬ইং তারিখে চিফ টিভি নিউজে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
এ সংবাদটি প্রকাশিত হওয়ার পরপরই তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। এরই জের ধরে প্রাথমিক জেলা শিক্ষা অফিস সৈয়দপুর প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মাহমুদুল হাসানকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে এবং কমিটিকে সরেজমিনে তদন্তের নির্দেশ দেয়।
বুধবার (২৪ জুন)তদন্ত কমিটির সদস্যবৃন্দ ওই বিদ্যালয়ে পরিদর্শনে যান। পরিদর্শনকালে সংবাদে প্রকাশিত অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে কমিটি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের হাজিরা খাতা পর্যালোচনা করেন। এছাড়া তদন্ত কর্মকর্তারা উপস্থিত শিক্ষার্থী, স্থানীয় অভিভাবক এবং ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের লিখিত সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।
সরেজমিনে তদন্তে আসা সৈয়দপুর প্রথামিক শিক্ষা অফিসার মাসুদুল হাসান জানান, "গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আমরা আজ তদন্তে এসেছি। প্রাথমিক তদন্তে কিছু অনিয়ম ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে গড়মিল পাওয়া গেছে।
এ সংবাদটি প্রকাশিত হওয়ার পরপরই তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। এরই জের ধরে প্রাথমিক জেলা শিক্ষা অফিস সৈয়দপুর প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মাহমুদুল হাসানকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে এবং কমিটিকে সরেজমিনে তদন্তের নির্দেশ দেয়।
বুধবার (২৪ জুন)তদন্ত কমিটির সদস্যবৃন্দ ওই বিদ্যালয়ে পরিদর্শনে যান। পরিদর্শনকালে সংবাদে প্রকাশিত অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে কমিটি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের হাজিরা খাতা পর্যালোচনা করেন। এছাড়া তদন্ত কর্মকর্তারা উপস্থিত শিক্ষার্থী, স্থানীয় অভিভাবক এবং ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের লিখিত সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।
সরেজমিনে তদন্তে আসা সৈয়দপুর প্রথামিক শিক্ষা অফিসার মাসুদুল হাসান জানান, "গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আমরা আজ তদন্তে এসেছি। প্রাথমিক তদন্তে কিছু অনিয়ম ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে গড়মিল পাওয়া গেছে।
আমরা সব পক্ষের বক্তব্য ও নথিপত্র পর্যালোচনা করে দ্রুতই একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেব। তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
এদিকে প্রশাসনের এই তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ ও সরেজমিনে তদন্তের সিদ্ধান্তে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় অভিভাবক ও এলাকাবাসী। তাঁরা আশা করছেন, এই তদন্তের মাধ্যমে বিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ দ্রুত ফিরে আসবে এবং অনিয়মের সাথে জড়িত শিক্ষকরা উপযুক্ত শাস্তির মুখোমুখি হবেন।
এদিকে প্রশাসনের এই তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ ও সরেজমিনে তদন্তের সিদ্ধান্তে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় অভিভাবক ও এলাকাবাসী। তাঁরা আশা করছেন, এই তদন্তের মাধ্যমে বিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ দ্রুত ফিরে আসবে এবং অনিয়মের সাথে জড়িত শিক্ষকরা উপযুক্ত শাস্তির মুখোমুখি হবেন।