জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাককানইমু) বিদ্রোহী হলে গাঁজা সেবনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে সিনিয়র ও জুনিয়র শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
রোববার রাতে হলের ৬১৫ নম্বর কক্ষে ঘটা এই সংঘর্ষে এক শিক্ষকসহ দুই শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। জানা গেছে, হলের ৭১৪ নম্বর কক্ষের বাসিন্দা আইন ও বিচার বিভাগের ২০১৮-১৯ সেশনের শিক্ষার্থী হান্নান তাঁর কক্ষের নবীন শিক্ষার্থী ও দর্শন বিভাগের ২০২৪-২৫ সেশনের সিফাতুল সিয়াম মুগ্ধের বিরুদ্ধে মাদক সেবনের অভিযোগ তুলে হল প্রশাসনকে জানান।
অভিযোগের প্রেক্ষিতে হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল ইসলাম কক্ষটি পরিদর্শন করলেও প্রাথমিকভাবে কোনো আলামত পাননি। তবে পরবর্তীতে হান্নান কক্ষে ফিরে অ্যাশট্রেতে গাঁজার অংশবিশেষ দেখতে পান বলে দাবি করেন এবং এ নিয়ে দুই শিক্ষার্থীর মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে হান্নান মুগ্ধকে চড় মারেন বলে অভিযোগ ওঠে।
এই ঘটনার জেরে রাতে হান্নান যখন ৬১৫ নম্বর কক্ষে খাবার খাচ্ছিলেন, তখন মুগ্ধসহ ৮ থেকে ১০ জনের একদল জুনিয়র শিক্ষার্থী তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালায় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। হামলায় শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পেয়ে হান্নান বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এই ঘটনার জেরে রাতে হান্নান যখন ৬১৫ নম্বর কক্ষে খাবার খাচ্ছিলেন, তখন মুগ্ধসহ ৮ থেকে ১০ জনের একদল জুনিয়র শিক্ষার্থী তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালায় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। হামলায় শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পেয়ে হান্নান বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সংঘর্ষের সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে হলের হাউজ টিউটর ও দর্শন বিভাগের প্রভাষক খাইরুল ইসলামও আঘাতপ্রাপ্ত হন। অন্যদিকে, গাঁজা সেবনের অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে মুগ্ধ দাবি করেছেন, প্রভোস্টের তল্লাশিতে কিছু না পাওয়ার পর তিনি কক্ষ থেকে চলে যান।
পরবর্তীতে কক্ষে ফিরলে তাঁর অ্যাশট্রেতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গাঁজা রেখে ছবি ও ভিডিও ধারণ করা হয় এবং হান্নান তাঁকে চড় ও বুকে লাথি মেরে ইচ্ছেমতো মারধর করেন। এই মারধরের বিষয়টি সিনিয়র ও বন্ধুদের জানানোর পর হাউজ টিউটরকে সঙ্গে নিয়ে কথা বলতে গেলে আবারও হাতাহাতির সূত্রপাত হয় বলে মুগ্ধের দাবি।