শহিদ শরিফ ওসমান হাদির খুনের বিচার দাবিতে শাহবাগে কর্মসূচি স্থগিত করেছে ইনকিলাব মঞ্চ। আজ (শনিবার) সংবাদ সম্মেলনে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা দেওয়ার কথা জানিয়েছে সংগঠনটি।
হাদি হত্যার ৫৪ দিন পার হলেও বিচার না পেয়ে ক্ষুব্ধ স্বজন-সহকর্মীরা শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড় ছেড়ে যমুনা অভিমুখে যেতে চাইলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বাধার মুখে পড়েন। ব্যারিকেড ভাঙতে চাইলে একপর্যায়ে জলকামান, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ায় রণক্ষেত্রে রূপ নেয় ওই এলাকা। আহত হন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরসহ বেশ কয়েকজন। আহতদের চিকিৎসার জন্য নেয়া হয় ঢাকা মেডিকেলে।
পরে ঢাকা মেডিকেলে ছুটে যান এনসিপি ও ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা। বিক্ষোভ করেন ঢাকা মেডিকেল ও শাহবাগ এলাকায়। দিন পেরিয়ে রাত, নেতাকর্মীরা আবারও অবস্থান নেন শাহবাগ মোড়ে। পুলিশের সাথে ফের বাধে সংঘর্ষ।
আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, আমরা আমাদের এক ভাইকে (হাদি) হারিয়েছি। এরপর আমাদের আর কোনও ভাইকে হারালেও নির্বাচন ১২ তারিখে হইতে হবে। নির্বাচন পেছানো যাবে না। তবে নির্বাচনের পরে যে রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় আসবে, তারা যদি হাদি হত্যার এই ব্যাপারে সুষ্ঠু কোনও পদক্ষেপ না নেয়। আমরা শুধু বলি ব্যাপারটা এমন ‘আমরা তাদের জীবনকে জাহান্নাম বানিয়ে দেব’ বলছি। তাদের জীবনকে জাহান্নাম বানিয়ে দেব।
তিনি বলেন, শহিদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত জাতিসংঘের অধীনে নিশ্চিত করার দাবিতে যমুনা এলাকার সামনে অবস্থান কর্মসূচি ঘিরে আন্দোলনকারী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আন্দোলনকারীদের দাবি, এতে তাদের বহু নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।