Chief TV - Leading online news portal of Bangladesh.

Home Ad
collapse
Home / আন্তর্জাতিক / ইরানে মার্কিন হামলা বোধহয় আসন্ন! - Chief TV

ইরানে মার্কিন হামলা বোধহয় আসন্ন! - Chief TV

2026-01-05  ডেস্ক রিপোর্ট  135 views
ইরানে মার্কিন হামলা বোধহয় আসন্ন! - Chief TV

যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণের ঘোষণা দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইসরায়েলি রাজনীতিক ইয়ার লাপিদ ইরানকে উদ্দেশ করে হুঁশিয়ারিমূলক বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, ইরানের শাসকগোষ্ঠীর ভেনেজুয়েলায় সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ মনোযোগ দিয়ে দেখা উচিত। এই প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠছে—ইরানের বিরুদ্ধে কি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপ ঘনিয়ে আসছে? আল জাজিরার একটি বিশ্লেষণী প্রতিবেদনে বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বৈঠকের এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে মাদুরোকে জোরপূর্বক ক্ষমতা থেকে সরানোর ঘটনা ঘটে। ওই বৈঠকেই ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে হামলার হুমকি দিয়েছিলেন। যদিও ওয়াশিংটনের সঙ্গে কারাকাস ও তেহরানের দ্বন্দ্বের পটভূমি ও গতিপথ ভিন্ন, তবু বিশ্লেষকদের মতে মাদুরোর বিরুদ্ধে নেওয়া এই পদক্ষেপ ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধের আশঙ্কা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

ন্যাশনাল ইরানিয়ান আমেরিকান কাউন্সিল (এনআইএসি)-এর প্রেসিডেন্ট জামাল আবদি মনে করেন, নতুন ধরনের আইনবহির্ভূত আচরণ আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিকে আরও অস্থির করে তুলছে এবং সংঘাতের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। তাঁর ভাষায়, ট্রাম্প যদি ‘নিশানাভিত্তিক হস্তক্ষেপের’ মাধ্যমে শাসন পরিবর্তনের ধারণায় আরও উৎসাহী হয়ে ওঠেন, কিংবা একই ধরনের পদক্ষেপে নেতানিয়াহুকে প্রকাশ্য সমর্থন দেন, তাহলে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চাওয়া গোষ্ঠীগুলো আরও সাহস পাবে।

সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল পলিসির জ্যেষ্ঠ ফেলো নেগার মোর্তাজাভি আল জাজিরাকে বলেন, তেহরানের বর্তমান মনোভাব থেকে স্পষ্ট—ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনায় যেতে তারা আগ্রহী নয়। কারণ ইরানের দৃষ্টিতে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান হলো সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণের দাবি। তাঁর মতে, এই মুহূর্তে কূটনীতির সুযোগ অত্যন্ত সীমিত, যা পরিস্থিতিকে সংঘাতের দিকেই ঠেলে দিচ্ছে। ইসরায়েল, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র—তিন পক্ষই ধীরে ধীরে সম্ভাব্য সংঘর্ষের পথে এগোচ্ছে।

জামাল আবদি আরও উল্লেখ করেন, গত জুন মাসেই ইসরায়েল ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে হত্যাচেষ্টায় জড়িত ছিল, যার মধ্যে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের নামও উঠে আসে। অন্যদিকে ট্রাম্প একাধিকবার প্রকাশ্যে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার হুমকি দিয়েছেন। ইসরায়েলি কর্মকর্তারাও স্বীকার করেছেন, যুদ্ধকালীন সময়ে খামেনিকে ক্ষমতা থেকে উৎখাতের চেষ্টা করা হয়েছিল।


Share: