ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক সম্ভাব্য ‘পুশইন’ বা পুশব্যাকের খবর মাইকে ছড়িয়ে পড়তেই লাঠি, ফলা ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সীমান্ত পাহারায় নেমেছেন জামালপুরের সীমান্তবর্তী গ্রামবাসী। সোমবার দিবাগত রাতে জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ৩ নম্বর পাররামপুর ইউনিয়নের উত্তর রহিমপুরসহ ভারতের সীমান্তঘেঁষা কয়েকটি এলাকায় এমন নজিরবিহীন ও দেশপ্রেমের চিত্র দেখা যায়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) জওয়ানদের পাশাপাশি শত শত স্থানীয় বাসিন্দা লাঠিসোঁটা হাতে সীমান্ত লাইনে জড়ো হয়ে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে কঠোর ও সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ৩ নম্বর পাররামপুর ইউনিয়নের উত্তর রহিমপুর গ্রামের ঠিক বিপরীতে সীমান্তের ১০৮০ নম্বর মেইন পিলার এলাকায় হঠাৎ করেই বেশ কয়েকটি ভারতীয় গাড়ি এবং বিপুল সংখ্যক বিএসএফ সদস্যের উপস্থিতি দেখতে পান তারা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ৩ নম্বর পাররামপুর ইউনিয়নের উত্তর রহিমপুর গ্রামের ঠিক বিপরীতে সীমান্তের ১০৮০ নম্বর মেইন পিলার এলাকায় হঠাৎ করেই বেশ কয়েকটি ভারতীয় গাড়ি এবং বিপুল সংখ্যক বিএসএফ সদস্যের উপস্থিতি দেখতে পান তারা।
বিএসএফের এই সন্দেহজনক মুভমেন্ট দেখে গ্রামবাসীর মনে তীব্র সন্দেহ ও পুশইনের আতঙ্ক তৈরি হয়। তাৎক্ষণিকভাবে মসজিদের মাইক থেকে গ্রামবাসীকে সতর্ক থাকার ঘোষণা দেওয়া হলে মুহূর্তের মধ্যে সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন।
ভারতের বন্দুুকের নল কিংবা ভয়ভীতি উপেক্ষা করে রাতভর তারা বিজিবির কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সীমান্তে কড়া নজরদারি অব্যাহত রাখেন। এক স্থানীয় বাসিন্দা দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, “গ্রামের মাইকের আওয়াজ শুনে পুশইন ঠেকাতে আমরা এখানে ছুটে এসেছি। আমাদের সামনেই ভারতের গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে। আমরা বিজিবির সঙ্গে আছি, ভারতের বন্দুকের নল দেখে আমরা ভয় পাই না। নিজেদের মাটি রক্ষায় আমরা সামনেই থাকব।”
এদিকে সম্ভাব্য অবৈধ অনুপ্রবেশ, পুশইন, মাদক পাচার ও চোরাচালান প্রতিরোধে জামালপুর সীমান্তে বিশেষ নজরদারি ও টহল জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। জেলার দেওয়ানগঞ্জ ও বকশীগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত বিজিবি সদস্য মোতায়েন করে বিশেষ টহল পরিচালনা করা হচ্ছে। উ
এদিকে সম্ভাব্য অবৈধ অনুপ্রবেশ, পুশইন, মাদক পাচার ও চোরাচালান প্রতিরোধে জামালপুর সীমান্তে বিশেষ নজরদারি ও টহল জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। জেলার দেওয়ানগঞ্জ ও বকশীগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত বিজিবি সদস্য মোতায়েন করে বিশেষ টহল পরিচালনা করা হচ্ছে। উ
দ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে জামালপুর ৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান জানান, সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আগের চেয়ে অনেক বেশি জোরদার করা হয়েছে। বর্তমানে সেখানে আতঙ্কিত হওয়ার মতো উদ্বেগজনক কোনো পরিস্থিতি না থাকলেও, যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ বা পুশইনের চেষ্টা কঠোরহস্তে প্রতিরোধ করতে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে (রেড অ্যালার্ট) রয়েছে।