জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে ককটেল বিস্ফোরণ ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা শেখ রাসেলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার (১১ জুন) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে সরিষাবাড়ী থানার কয়ড়া এলাকায় এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত শেখ রাসেল উপজেলার চুরিয়ার ভিটা মধ্যপাড়া এলাকার মো. সাহেব আলীর ছেলে। তিনি আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবং ঢাকা কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্বে ছিলেন। আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে তাকে কড়া পুলিশি পাহারায় জামালপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সিজেএম) আদালতে পাঠানো হয়েছে।
সরিষাবাড়ী থানা পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালের ২ অক্টোবর সরিষাবাড়ী থানায় দণ্ডবিধি এবং বিস্ফোরক উপাদান আইনে দায়েরকৃত একটি নিয়মিত মামলায় তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে শেখ রাসেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট বিকেলে সারা দেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক দফা কর্মসূচির অংশ হিসেবে সরিষাবাড়ীতে ছাত্র-জনতার একটি বিশাল মিছিল বের হয়।
সরিষাবাড়ী থানা পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালের ২ অক্টোবর সরিষাবাড়ী থানায় দণ্ডবিধি এবং বিস্ফোরক উপাদান আইনে দায়েরকৃত একটি নিয়মিত মামলায় তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে শেখ রাসেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট বিকেলে সারা দেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক দফা কর্মসূচির অংশ হিসেবে সরিষাবাড়ীতে ছাত্র-জনতার একটি বিশাল মিছিল বের হয়।
মিছিলটি আরামনগর বাজার থেকে রওনা হয়ে শিমলাবাজার বাসস্ট্যান্ডের সামনে পৌঁছামাত্রই ওত পেতে থাকা আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়।
শেখ রাসেলসহ প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ জন নেতাকর্মী লোহার পাইপ, রামদা এবং ককটেলসহ মারাত্মক দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সেখানে হামলা চালিয়ে বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় এবং আন্দোলনকারীদের ওপর এলোপাতাড়ি মারপিট শুরু করে, যাতে অসংখ্য মানুষ গুরুতর জখম হন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, অভিযুক্ত শেখ রাসেল এলাকায় অত্যন্ত উশৃঙ্খল প্রকৃতির হিসেবে পরিচিত এবং বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় নানা ধরনের আগ্রাসী ও বিতর্কিত কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, অভিযুক্ত শেখ রাসেল এলাকায় অত্যন্ত উশৃঙ্খল প্রকৃতির হিসেবে পরিচিত এবং বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় নানা ধরনের আগ্রাসী ও বিতর্কিত কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতেন।
সরিষাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ইকবাল হোসেন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চাঞ্চল্যকর এই মামলাটি বর্তমানে নিবিড়ভাবে তদন্তাধীন রয়েছে। স্থানীয়ভাবে তদন্ত ও প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ছাত্র-জনতার মিছিলে হামলার ওই ঘটনার সাথে আসামি শেখ রাসেলের সরাসরি জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট ও পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে।
মামলার সুষ্ঠু তদন্ত এবং বাকি আসামিদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের পক্ষ থেকে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে।