গত ১৫ বছর ধরে আওয়ামী লীগের শাসনকাল ছিল। সেই সময়ে দেশের সরকারি চাকরিজীবীরা দুর্নীতির শক্ত অবস্থানে পৌঁছে গিয়েছিলেন। শুধু চাকরিজীবীরাই নয়, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষও এর সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। পাশাপাশি মাদক ও চাঁদাবাজির প্রভাবও ব্যাপকভাবে দেখা যায়।
গত বছর ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগের ক্ষমতার অবসান হলেও সরকারি ও বেসরকারি অনেক প্রতিষ্ঠানে এখনো দুর্নীতি বিদ্যমান। একই চিত্র দেখা যাচ্ছে মানিকগঞ্জ জেলাতেও—এখানেও দুর্নীতি, মাদক ও চাঁদাবাজি আগে যেমন ছিল, এখনও রয়েছে।
তাই আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মানিকগঞ্জ জেলার সর্বস্তরের মানুষের প্রত্যাশা—একটি নিরপেক্ষ, দুর্নীতি, মাদক ও চাঁদাবাজিমুক্ত জেলা। মানিকগঞ্জ জেলায় মোট তিনটি সংসদীয় আসন রয়েছে। এই তিন আসনের জনগণ আশা করছেন, আগামী নির্বাচনে যিনি বিজয়ী হবেন, তিনি যেন মানিকগঞ্জ জেলাকে দুর্নীতি, মাদক ও চাঁদাবাজিমুক্ত একটি আদর্শ জেলা হিসেবে গড়ে তোলেন।