Chief TV - Leading online news portal of Bangladesh.

Home Ad
collapse
Home / রাজনীতি / প্রচারে এগিয়ে বিএনপি, কৌশলী জামায়াত - Chief TV

প্রচারে এগিয়ে বিএনপি, কৌশলী জামায়াত - Chief TV

2026-01-28  ডেস্ক রিপোর্ট  131 views
প্রচারে এগিয়ে বিএনপি, কৌশলী জামায়াত - Chief TV

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দের পরপরই চট্টগ্রামের ১৬টি আসনে প্রার্থীদের সমর্থনে ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ে শুরু হয়েছে মিছিল, পথসভা ও গণসংযোগ। বিএনপি, জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, এলডিপি, এনসিপি ও বৃহত্তর সুন্নী জোটের প্রার্থীরা সমানতালে প্রচার–প্রচারণায় নেমেছেন।

গত বৃহস্পতিবার থেকে প্রার্থীদের কর্মী–সমর্থকেরা ছবিযুক্ত পোস্টার ও ব্যানার টানানোর কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। প্রতিটি আসনের বিভিন্ন ওয়ার্ড–ইউনিয়নের হাটবাজার, পাড়া–মহল্লা, অলিগলি, গ্রামগঞ্জ ও ছোট-বড় সড়কের ওপর ঝুলছে দলীয় প্রতীকসহ প্রার্থীদের পোস্টার–ব্যানার। পাশাপাশি নানা প্রতিশ্রুতি নিয়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ছুটছেন প্রার্থীরা।

চট্টগ্রাম জেলায় (নগরীসহ) ১৬টি আসনে বিভিন্ন দলের মোট ১১১ জন প্রার্থী মাঠে রয়েছেন। এবার চট্টগ্রামে বিএনপির সঙ্গে কোনো আসন সমঝোতা হয়নি। ফলে ১৬টি আসনেই ধানের শীষের প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী ১০টি আসনে নিজেদের প্রার্থী দিলেও ছয়টি আসন জোট শরিকদের ছেড়ে দিয়েছে।

প্রচারণায় এগিয়ে রয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা। সাংগঠনিক শক্তি ও অতীত অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ভোটের মাঠে এগিয়ে থাকার চেষ্টা করছে দলটি। তবে চট্টগ্রাম–২ (ফটিকছড়ি) আসনে ধানের শীষের প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল থাকায় সেখানে প্রচারণা বন্ধ রয়েছে। আদালতের রায়ের অপেক্ষায় আছেন দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা।

জামায়াতের প্রার্থীরাও সক্রিয়ভাবে প্রচারণা চালাচ্ছেন। নানা কৌশলে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছেন তারা। দাঁড়িপাল্লার পক্ষে জনমত গড়ে তুলতে পেশাজীবী ও পরিবহন শ্রমিকদের সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি নারীদের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগিয়েও ভোট বাড়ানোর চেষ্টা করছে দলটি।

এ ছাড়া এলডিপি, এনসিপি ও বৃহত্তর সুন্নী জোটের প্রার্থীরাও মাঠে সক্রিয় থাকলেও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস ও ইনসানিয়ত বাংলাদেশের প্রার্থীরা তুলনামূলক পিছিয়ে রয়েছেন।

সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা

সংশ্লিষ্টদের মতে, চট্টগ্রামের অধিকাংশ আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপি ও জামায়াত–জোটের মধ্যে। কয়েকটি আসনে সুন্নী জোট ফ্যাক্টর হয়ে উঠতে পারে। আবার দুটি আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী থাকায় সেখানে ধানের শীষের প্রার্থীদের বাড়তি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে।

চট্টগ্রাম–১৪ আসনে বিএনপির দুজন বিদ্রোহী প্রার্থী থাকায় সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে জামায়াত জোটের এলডিপি প্রার্থী। চট্টগ্রাম–১৬ আসনেও বিএনপির এক বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে জামায়াত প্রার্থী সুবিধা পাচ্ছেন। আর চট্টগ্রাম–২ আসনে বিএনপির মনোনয়ন চূড়ান্তভাবে বাতিল হলে সেখানে জামায়াতের নুরুল আমিন ও সুন্নী জোটের সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদ মাইজভান্ডারীর মধ্যে লড়াই হবে।

বিভিন্ন আসনে বিএনপি ও জামায়াত/জোট প্রার্থীদের মুখোমুখি লড়াইয়ের পাশাপাশি কয়েকটি আসনে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতাও দেখা যাচ্ছে।

প্রচারণায় পরিবারও মাঠে

প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারণায় নেমেছেন স্ত্রী–সন্তান থেকে শুরু করে মা–বোনরাও। চট্টগ্রাম–১১ আসনে বিএনপির প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর ছেলে ইস্রাফিল খসরু নিয়মিত মাঠে কাজ করছেন। চট্টগ্রাম–৭ আসনে হুম্মাম কাদের চৌধুরীর মা ফারহাত কাদের চৌধুরী ও স্ত্রী শ্যামানজার শ্যামা খান ভোট চাইছেন। চট্টগ্রাম–৪ আসনে আসলাম চৌধুরীর স্ত্রী জামিলা নাজনীন মাওলা ও কন্যা মেহরীন আনহার উজমা, আর চট্টগ্রাম–৫ আসনে মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের স্ত্রী নওশীন আরজান হেলাল প্রচারণায় সক্রিয় রয়েছেন।


Share: