সরকার গঠনের মাত্র তিন মাসের মধ্যেই নদীভাঙন রোধে কার্যকর ও দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করায় ভাঙনকবলিত ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে নতুন করে বেঁচে থাকার আশার সঞ্চার হয়েছে বলে জানিয়েছেন শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু।
শুক্রবার দুপুরে শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার আবুপুর ফেরিঘাট এলাকায় জরুরি নদীতীর সংরক্ষণ প্রকল্পের অংশ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে জিওব্যাগ ডাম্পিং কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই মন্তব্য করেন।
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ধারাবাহিক উন্নয়ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানুষের জানমাল, বসতভিটা ও ফসলি জমি রক্ষাকে বর্তমান সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
হুইপ অপু আরও জানান, শুধু সাময়িক বা জরুরি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাই নয়, বরং নদীভাঙনের স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদী মহাপরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে স্থায়ী বেড়িবাঁধ ও নদীতীর সংরক্ষণ প্রকল্প বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড সেই লক্ষ্যে দ্রুত প্রকল্প প্রণয়নের কাজ এগিয়ে নিচ্ছে।
হুইপ অপু আরও জানান, শুধু সাময়িক বা জরুরি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাই নয়, বরং নদীভাঙনের স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদী মহাপরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে স্থায়ী বেড়িবাঁধ ও নদীতীর সংরক্ষণ প্রকল্প বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড সেই লক্ষ্যে দ্রুত প্রকল্প প্রণয়নের কাজ এগিয়ে নিচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে শরীয়তপুরকে একটি আধুনিক ও উন্নত জেলা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের ভাঙন আতঙ্ক দূর হওয়ায় এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে।
জিওব্যাগ ডাম্পিংয়ের এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শরীয়তপুর জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খান মোহাম্মদ ওয়ালিউজ্জামান, গোসাইরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুশরাত আরা খানম, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শেখ নওশাদ হাসান এবং গোসাইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিনসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।